চট্টগ্রামে লোডশেডিং অব্যাহত, ভোগান্তিতে নগরবাসী

চট্টগ্রামে লোডশেডিং অব্যাহত, ভোগান্তিতে নগরবাসী

ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রাঙ্গামাটি অঞ্চলে মোট ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও এর অধিকাংশই বন্ধ রয়েছে, ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বর্তমানে মাত্র ১০-১২টি কেন্দ্র সচল থাকায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হচ্ছে। মঙ্গলবার দিনভর নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় লোডশেডিং অব্যহত ছিলো।

এর আগে সোমবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রামে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১,৩৮৩.৬০ মেগাওয়াট, বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১,৩১৬.৬০ মেগাওয়াট। এসময় লোডশেডিং হয় ৬৭ মেগাওয়াট। একইদিন সন্ধ্যা ৭টায় চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় ১,৪৯০.৫০ মেগাওয়াটে, সরবরাহ ছিল ১,৩৮১.৫০ মেগাওয়াট, ফলে লোডশেডিং হয় ১০৯ মেগাওয়াট।

রবিবার সকাল ১১টায় চাহিদা ছিল ১,৩৫৭.৬০ মেগাওয়াট এবং সরবরাহ ১,২৮১.৬০ মেগাওয়াট, লোডশেডিং ৭৬ মেগাওয়াট। সন্ধ্যা ৭টায় চাহিদা বেড়ে ১,৫৮৫.১০ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ ছিল ১,৪৫৮ মেগাওয়াট, লোডশেডিং দাঁড়ায় ১২৭.১০ মেগাওয়াটে।

কাগজে-কলমে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কম মনে হলেও, বাস্তবে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দিনভর দফায় দফায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা দেখা যাচ্ছে। নগরের চেয়ে মফস্বল এলাকায় লোডশেডিংয়ের পরিমাণ আরো বেশি বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকা এবং ঘন ঘন বিদ্যুতের আসা যাওয়ার কারণে আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহকরা ভোগান্তিতে পড়ছেন, ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।