সরকারের সহযোগিতায় দেশে ফিরছেন ৩৩ ওমরাযাত্রী

সরকারের সহযোগিতায় দেশে ফিরছেন ৩৩ ওমরাযাত্রী

সরকারের সহযোগিতায় দেশে ফিরছেন ৩৩ ওমরাযাত্রী।। ছবিঃ সংগৃহীত।

সরকারি হস্তক্ষেপে পবিত্র ওমরা পালন করতে সৌদি আরবে গিয়ে আটকে পড়া মাস্ক হজ গ্রুপ ট্রাভেল এজেন্সির ৩৩ জন যাত্রী দেশে ফিরছেন।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের নির্দেশে বুধবার জেদ্দায় অবস্থানরত ভুক্তভোগী ওমরাযাত্রীদের হোটেলে গিয়ে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। 

প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা, জেদ্দা বাংলাদেশ হজ মিশনের কাউন্সেলর (হজ) মো. কামরুল ইসলাম এবং কনস্যুলার কর্মকর্তা এ এস এম সায়েম।

এ সময় কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, আটকে পড়া যাত্রীদের দ্রুত দেশে ফেরানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যেসব ওমরাযাত্রী ১৮ এপ্রিলের মধ্যে দেশে ফিরতে না পারায় ভিসাজনিত জটিলতায় পড়েছিলেন, তাদের সমস্যার সমাধান করে দ্রুত প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এছাড়া ভুয়া টিকিটের মাধ্যমে সৌদি আরবে নিয়ে এসে নির্ধারিত সময়ে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা না করায় সংশ্লিষ্ট মাস্ক হজ গ্রুপ ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

ভবিষ্যতে ওমরা পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে ভ্রমণের ক্ষেত্রে অবশ্যই বৈধ ও সরকার অনুমোদিত লাইসেন্সধারী ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।

এদিকে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হজ ব্যবস্থাপনার মতো ওমরা ব্যবস্থাপনাকেও একটি কেন্দ্রীয় পোর্টালের আওতায় আনা জরুরি। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি ওমরা পোর্টাল চালু করে যাত্রীদের এজেন্সির তথ্য, পাসপোর্ট, মক্কা-মদিনায় হোটেল বুকিং এবং বিমান টিকিট যাচাই নিশ্চিত করার পরই ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

তারা আরও প্রস্তাব করেন, প্রতিটি ওমরাযাত্রীর কাছ থেকে অন্তত ৫০০ টাকা করে নিয়ে একটি ‘ওমরা কল্যাণ ফান্ড’ গঠন করা হলে, ভবিষ্যতে যেকোনো দুর্যোগ বা সংকটের সময় আটকে পড়া যাত্রীদের তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে এ ধরনের কোনো ফান্ড না থাকায় সৌদি আরবে অবস্থানরত ভুক্তভোগীরা সরাসরি পর্যাপ্ত সহায়তা পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে। একটি সমন্বিত ওমরা পোর্টাল চালুর মাধ্যমে এ খাতকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।