বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় প্রকল্প প্রণয়নে বাস্তব চাহিদা বিবেচনায় নিতে জাইকাকে ইউজিসির পরামর্শ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় প্রকল্প প্রণয়নে বাস্তব চাহিদা বিবেচনায় নিতে জাইকাকে ইউজিসির পরামর্শ

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বাস্তব চাহিদা বিবেচনায় নিতে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-কে পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ইউজিসি কার্যালয়ে জাইকার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ পরামর্শ দেন। এ জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ করতে একটি যৌথ কমিটি গঠনেরও প্রস্তাব দেন।
তিনি বলেন, প্রকল্প নকশা তৈরির আগে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রকৃত প্রয়োজন ও সক্ষমতা যাচাই করা জরুরি। এ লক্ষ্যে জাপান ও বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়, ইউজিসি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অংশগ্রহণে ত্রিপক্ষীয় সভা আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

জাইকা বাংলাদেশের প্রতিনিধি নিশি রিজুকিরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়। বৈঠকে জানানো হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার উন্নয়নে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে, যা ২০২৮ সালে শুরু হতে পারে। চলতি বছর এ প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষা পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ল্যাবভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণ, জাপানে ইন্টার্নশিপ, যৌথ ডিগ্রি কর্মসূচি, পিএইচডি বৃত্তি এবং শিল্প-অ্যাকাডেমিয়া সংযোগ জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জাইকা প্রতিনিধিরা জানান, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ করবে। এ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা বাড়বে, যা পূরণে উচ্চশিক্ষা খাতকে শক্তিশালী করা জরুরি।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে গুণগত পরিবর্তন আসবে। বর্তমানে ইউজিসি প্রায় ১৭০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধান করছে।