কলাপাড়ায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত

কলাপাড়ায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত

সংগৃহীত ছবি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে তীব্র বজ্রবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মাঝারি এবং ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত কলাপাড়ায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।

এদিকে, বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। একই সাথে দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ তৈরি অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবে সাগর ও নদ-নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাতাসের চাপ কিছুটা বেড়েছে। কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর বেশ বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

স্থানীয় জানান, উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর,চাকা মাইয়া, ডালবুগঞ্জ,বালিয়াতলী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের কালবৈশাখী ঝড়ে বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সাথে বজ্রবৃষ্টিতে অর্ধ শতাধিক গবাদিপশু মারা গেছে। উপরে পড়েছে শত শত গাছপালা। অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছেন। 

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, দেশের ১৬ জেলার উপর দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কা করছেন। তাই এসব নদী বন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত এবং পায়রাসহ দেশের চার সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রেখেছে। একই সাথে সকল মাছ ধরা ট্রলার সমূহকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলেছেন আবহাওয়া অফিস।

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী সাংবাদিকদের জানান, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। পাশাপাশি ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকানো এবং বজ্রপাত হতে পারে। বাতাসের চাপও বাড়তে পারে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকার কাজ চলছে। তালিকা করা হলে ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে। ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ পরিবার ও একটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে ঢেউটিন খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।