১১ বছর ফাইনালের দেখা নেই, তবু পিএসজি-বায়ার্নের মতোই ভালো দল বার্সা!

১১ বছর ফাইনালের দেখা নেই, তবু পিএসজি-বায়ার্নের মতোই ভালো দল বার্সা!

ছবি: সংগৃহীত

২০১৫ সালে শেষবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে খেলেছিল বার্সেলোনা। জুভেন্টাসকে হারিয়ে পঞ্চমবার ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। এরপর কেটে গেছে ১১টি বছর, আর ফাইনালে ওঠা হয়নি। এবার কোয়ার্টার ফাইনালে আরেক স্প্যানিশ জায়ান্ট অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে। কিন্তু হ্যান্সি ফ্লিক দলের পারফরম্যান্স আর সামর্থ্য নিয়ে মোটেও সন্দিহান নয়।

সম্প্রতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে গোলবন্যায় ভেসে গেছে বায়ার্ন মিউনিখ ও পিএসজির ম্যাচ। পার্ক দে প্রিন্সেসে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্কোরের সেমিফাইনাল দেখেছে ফুটবল বিশ্ব। ৫-৪ গোলে ম্যাচটি জিতেছে ফরাসি জায়ান্টরা। নিজের দল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে গেলেও এই ম্যাচ ঘরে বসে দেখেছেন ফ্লিক। জার্মানির বিশ্বকাপ জয়ী সহকারী কোচ স্বাভাবিকভাবে হতাশ হয়েছেন তার সাবেক ক্লাবের হারে।

বায়ার্নের হয়ে দুটি বুন্দেসলিগা ও একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন ফ্লিক। কিন্তু বার্সেলোনার হয়ে টানা দ্বিতীয় লা লিগা ট্রফি জয়ের পথে থাকলেও ক্লাবটিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১১ বছরের খরা ঘুচিয়ে দিতে পারেননি।

তবে এই দলটির ওপর বিশ্বাস হারাচ্ছেন না ৬১ বছর বয়সী ফ্লিক। তার মতে বার্সার এই দল মহাদেশের অন্যতম সেরাদের পর্যায়ে রয়েছে। বার্সার বর্তমান দল পিএসজি ও বায়ার্নের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে কি না প্রশ্নে তিনি বললেন, ‘শতভাগ, হ্যাঁ।’

শেষবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার পর বার্সা দুইবার সেমিফাইনালে উঠে হেরে যায়। এছাড়া ২০২২ ও ২০২৩ সালে ইউরোপের দ্বিতীয় সারির প্রতিযোগিতা ইউরোপা লিগেও নেমে যেতে হয়েছিল তাদেরকে। ফ্লিক আসার পর তার দল একবার করে সেমিফাইনাল ও কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে থেমে গেছে। চলতি মৌসুমে শেষ আটে মাদ্রিদ ক্লাবের কাছে দুই লেগে ৩-২ ব্যবধানে হেরেছে তারা।