মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ
প্রতিকি ছবি
বরিশাল নগরীতে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। ওই শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের অভিযোগ দেওয়ার পর পরই মাদ্রাসা ছেড়ে আত্মগোপনে গেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছে, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শিশু শিক্ষার্থীর পরিবার জানিয়েছে, তারা আইনগত ব্যবস্থায় যাবে না।
শিশুর মা ও চাচা অভিযোগ করেছেন, তাদের ১৫ বছর বয়সি সন্তান নগরীর একটি মাদ্রাসা থেকে হাফেজ হয়েছেন। এরপর নগরীর বেলতলা এলাকার আল জামেয়া আল ইসলামিয়া আল মাহমুদিয়া মাদ্রাসায় শুনানি করার জন্য ১৫ দিন আগে ভর্তি করা হয়। মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মো. মহিবুল্লাহ শুক্রবার রাতে তাদের সন্তানকে পা টেপার কথা বলে ডেকে নেয়। একপর্যায়ে শিশুর সঙ্গে অনৈতিক আচরণ করেন।
বিষয়টি সন্তান তাদের জানিয়েছে। তারা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসায় গিয়ে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরও বন্ধ রয়েছে।
শিশুর মা ও চাচা শিক্ষকের কঠোর শাস্তির দাবি করলেও পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে আইনি পদক্ষেপে যাবেন না বলে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের অন্যতম সদস্য মাওলানা নুরুর রহমান বেগ বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। শিক্ষক নাকি মাদ্রাসায় নেই। ইদানীং এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে। এসব ঘটনায় ওলামা মাশায়েখরা বিব্রত।
এ ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।