১৫ বলে ফিফটি করেও রেকর্ড ভাঙা হলো না সোহানের

১৫ বলে ফিফটি করেও রেকর্ড ভাঙা হলো না সোহানের

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় দলে আসার আগেই পাওয়ার হিটিংয়ে বেশ পরিচিতি পেয়েছেন হাবিবুর রহমান সোহান। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) সেই ঝড় দেখা গেল আরেকবার। মোহামেডানের বিপক্ষে মাত্র ১৫ বলে ফিফটি করে গড়লেন লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের যৌথ দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড।

মিরপুরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে হৃদয়ের সেঞ্চুরিতে ৩৩৯ রানের বড় সংগ্রহ পায় মোহামেডান। বিপরীতে বড় লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ব্যাটকে যেন তরবারি বানিয়েছেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের সোহান। ওপেনিংয়ে নামা এই ব্যাটার প্রথম তিন বল রয়েসয়ে খেললেও বাকি বলে ছিলেন বিধ্বংসী।

ধ্বংসযজ্ঞের শুরুটা হয় তাসকিনকে দিয়ে। ডানহাতি এই পেসারের এক ওভারে দুই চার ও দুই ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। বাংলাদেশের সবচেয়ে গতিময় বোলার নাহিদ রানাকেও ছাড় দেননি এই ডানহাতি ব্যাটার। তিন ছক্কা ও দুই চারে এক ওভার থেকেই তুলে নেন ২৬ রান।

তাসকিন ও নাহিদকে একের পর এক আক্রমণে বিধ্বস্ত করে মাত্র ১৫ বলেই ফিফটি পূর্ণ করেন সোহান। তবে এতেই ভাঙেনি একক কোনো রেকর্ড, বরং লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের যৌথ দ্রুততম ফিফটির কীর্তিতে ভাগ বসান তিনি।

এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন, যিনি গত ডিপিএলে আবাহনীর হয়ে ১৫ বলে ফিফটি করেছিলেন। এবার একই কীর্তিতে নাম লেখালেন সোহান। বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটি ফরহাদ রেজার, যিনি ২০১৯ সালে ১৮ বলে ফিফটি করেছিলেন। তৃতীয় স্থানে আছেন নাজমুল হোসেন, ২০০৭ সালে ১৯ বলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন।

বিশ্ব ক্রিকেটে লিস্ট ‘এ’ দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড এখনও শ্রীলঙ্কার কৌশল্য উইরারাত্নের দখলে। ২০০৫ সালে মাত্র ১২ বলে ফিফটি করেছিলেন তিনি। সেই তালিকায় যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে আছেন বাংলাদেশের সোহান ও ইমন।