বাহুবলে ড. সৈয়দ মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের আত্মপ্রকাশ

বাহুবলে ড. সৈয়দ মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের আত্মপ্রকাশ

সংগৃহীত

বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত ভাষাবিদ, পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ ড. সৈয়দ মুজতবা আলীর স্মৃতি সংরক্ষণ, গবেষণা এবং তাঁর আদর্শ প্রচারের লক্ষ্যে ‘ড. সৈয়দ মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদ’-এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরীতে একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পরিষদের আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের আহ্বায়ক ও বাহুবল অনার্স কলেজের অধ্যক্ষ আবদুর রব শাহীন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পরিষদের সদস্য সচিব, লেখক ও গবেষক সৈয়দ আনোয়ার আবদুল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও উজ্জ্বল রায় বলেন, ‘ড. সৈয়দ মুজতবা আলী শুধু বাহুবল বা হবিগঞ্জের নয়, তিনি সমগ্র বাংলা সাহিত্যের গর্ব। তাঁর স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বাহুবলের একটি সড়ক তাঁর নামে নামকরণ এবং বাহুবল পাবলিক লাইব্রেরিতে ‘মুজতবা কর্নার’ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্ম তাঁর জীবন, সাহিত্যকর্ম ও চিন্তাধারার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ড. মুজতবা আলীর সাহিত্য, মানবতাবাদী দর্শন ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা আমাদের সমাজকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহলের সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সদস্যবৃন্দ, আব্দুর রকিব,আব্দুল আওয়াল তহবিলদার সবুজ, নূরুল ইসলাম মনি, জালাল উদ্দিন রুমি, এম শামসুদ্দিন, পংকজ কান্তি গোপ টিটু, আব্দুল কাদির চৌধুরী বাবুল, সৈয়দ নূরুল ইসলাম, এড. এম এ মুহিত,হাবিবুর রহমান নোমান, সৈয়দ আজহারুল ইসলাম তাহমিদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ড. সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর সাহিত্যকর্ম, মানবতাবাদী চিন্তা ও অসাম্প্রদায়িক দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে পরিষদ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

এ সময় পরিষদের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম, সাংগঠনিক পরিকল্পনা এবং ড. মুজতবা আলীর জীবন ও কর্ম নিয়ে গবেষণামূলক উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে সদস্যদের মধ্যে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বাহুবল উপজেলা সদরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ড. সৈয়দ মুজতবা আলীর নামে নামকরণের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।