চট্টগ্রামে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

চট্টগ্রামে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উদ্যোগে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রয়া ত্রিপুরা। 

 

পটিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন আকতার হিমুর সভাপতিত্বে ও পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক রাজীব দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিএইচ-এফপি মেডিকেল অফিসার ডা. সৌমেন মিত্র। 
বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে, পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কর্মকার, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তপন কুমার রায়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. জামাল হোসেন, সহকারী তথ্য কর্মকর্তা মো. রহমতউল্লাহ চৌধুরী, কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শওকত আকবর, সাংবাদিক কাউছার আলম ও রবিউল আলম ছোটন এবং পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো. এরশাদ হোসেন প্রমুখ। দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়। শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী মিসেস মিতা দে (কাশিয়াইশ ইউনিয়ন), শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো. এরশাদ হোসেন (জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন), শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা মিসেস ববিতা রানী দে (জিরি ইউনিয়ন), শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মিসেস শিবা রানী ঘোষ (আশিয়া ইউনিয়ন), শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র কুসুমপুরা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদকে পুরষ্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।

পটিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) রয়া ত্রিপুরা। প্রধান অতিথি রয়া ত্রিপুরা বলেন, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য অত্যন্ত সময়োপযোগী। তরুণদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগই একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠকর্মীরা সীমিত সম্পদ নিয়েও যেভাবে মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন আকতার হিমু বলেন, আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ জনবল সংকট, জরাজীর্ণ অবকাঠামো এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রীর ঘাটতি। তারপরও আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরলসভাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে দম্পতিদের পরামর্শ দেওয়া, গর্ভবতী মায়েদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, নিরাপদ মাতৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবে উদ্বুদ্ধকরণ এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে স্বাভাবিক প্রসবসেবা অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জাম নিশ্চিত করা গেলে সেবার মান আরও অনেকগুণ বৃদ্ধি পাবে।