ব্যবসা ও ব্যাংকিংয়ে দীর্ঘ পথচলা, নেতৃত্বে আস্থার প্রতীক শওকত আলী
ছবি: সংগৃহীত
দেশের ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন ইস্টার্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী চৌধুরী। ব্যবসায়িক সাফল্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নিয়মিত কর পরিশোধের মাধ্যমে তিনি দেশের অর্থনীতিতে সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
ধারাবাহিকভাবে গত ১১ বছর সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া শওকত আলী চৌধুরী ব্যবসায় স্বচ্ছতা ও আইনানুগ কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। বিদেশে পরিচালিত তার ব্যবসাগুলোর তথ্য যথাযথভাবে কর নথিতে উল্লেখ রয়েছে এবং সেসব আয়ের বিপরীতে তিনি নিয়ম অনুযায়ী শতভাগ কর পরিশোধ করেছেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) এক বার্তায় ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করতে বিভিন্ন মাধ্যমে অসত্য, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে যাচ্ছে। তাদের দাবি, এসব অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। তাদের মতে, বর্তমান সরকার দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে কাজ করছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের শিল্প ও বাণিজ্যের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।
ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি মো. শওকত আলী চৌধুরী শিপ রিসাইক্লিং, লজিস্টিকস, রিয়েল এস্টেট, চা শিল্প, বীমাসহ বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
তারা আরও জানান, দীর্ঘ সময় ধরে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন শওকত আলী চৌধুরী। তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি উত্থাপিত অভিযোগগুলো অসত্য, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
ব্যাংকিং খাতে তার অবদানও উল্লেখযোগ্য। ইস্টার্ন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং ১৯৯৩ সাল থেকে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়ের অভিজ্ঞতায় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণ, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং করপোরেট পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন।
তার নেতৃত্বে পরিচালনা পর্ষদ করপোরেট গভর্ন্যান্স, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদনেও গ্রাহকের আস্থা অর্জন, সুশাসন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়টি অগ্রাধিকার পেয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইস্টার্ন ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকিং, অনলাইন সেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর গ্রাহকসেবা সম্প্রসারণে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। ২০২৫ সালের বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডাররা ব্যাংকের ডিজিটাল রূপান্তর এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির কৌশলের প্রশংসা করেন।