জাপানে ভারী বর্ষণে পানিবন্দী বাসিন্দারা

জাপানে ভারী বর্ষণে পানিবন্দী বাসিন্দারা

ফাইল ছবি।

জাপানের উত্তর-মধ্যাঞ্চলীয় প্রিফেকচার ইশিকাওয়া ও তোয়ামায় প্রবল বর্ষণে বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে।এতে সড়কে পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেকে বাড়িঘর ও যানবাহনে আটকা পড়েছেন। দেশটির আবহাওয়া সংস্থা ইশিকাওয়া ও তোয়ামা প্রিফেকচারের কিছু অংশের জন্য ‘লেভেল ৫’ মাত্রার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে।

একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের সম্ভাব্য বন্যা ও ভূমিধসের বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত কাগা ও নতো এলাকায় ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। এই দুটি অঞ্চলের কর্তৃপক্ষ ৩ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

এনএইচকে পাবলিক টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা গেছে, তোয়ামা প্রিফেকচারের হিমি শহরে হাঁটু-সমান পানির মধ্য দিয়ে গিয়ে উদ্ধারকর্মীরা রাবারের নৌকায় করে আটকা পড়া বাসিন্দাদের উদ্ধার করছেন। বন্যার পানিতে অনেক গাড়ি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

তোয়ামার পশ্চিমে অবস্থিত প্রতিবেশী ইশিকাওয়া প্রিফেকচারে তিনটি পৌরসভার ২৭০টি বাড়ি প্লাবিত হয়েছে; তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বন্যায় হতাহত খবর পাওয়া যায়নি। ভারী বৃষ্টির কারণে ইশিকাওয়াতেও ভূমিধস হয়েছে এবং রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে।

চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি মিনোরু কিহারা জানিয়েছেন, এই দুটি অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নদীর পানি উপচে অনেক বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে, তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হোকুরিকু ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানির তথ্যমতে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে তোয়ামা ও ইশিকাওয়ার ১ হাজারেরও বেশি বাড়িতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।

এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে টোকিওর পূর্বে অবস্থিত চিবা প্রিফেকচারে ভারী বৃষ্টি ও ব্যাপক বন্যার কারণে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।