ভেরিফিকেশনের নামে যোগ্য প্রার্থীদের বাতিলের প্রতিবাদে ইবিতে শিবিরের বিক্ষোভ
সংগৃহীত ছবি
সহকারী শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, দলীয়করণ এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে যোগ্য প্রার্থীদের বাতিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি এবং অফিস সম্পাদক আব্দুস সালাদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। এতে সংগঠনটির দুই শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
মিছিলে তারা ‘২৪ এর অঙ্গিকার, চাকরি পাবে মেধা যার’, ‘চাকরীতে দলীয়করণ, চলবে না, চলবে না’, ‘শিক্ষাঙ্গনে দলীয়করণ, চলবে না, চলবে না’, ‘নিয়োগে বৈষম্য, মানি না, মানবো না’, ‘কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, মেধার জন্য কোন কার্ড?’, ‘কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, চাকরী দিবে দলীয় কার্ড!’ ‘কার্ড বাবার অনেক গুণ, সবখানে দলীয়করণ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেয়।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ ও পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হয়রানি করছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএর প্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতির চেষ্টা করা হয়েছে এবং ভাইভায় নম্বর বাড়িয়ে মেধার পরিবর্তে দলীয় বিবেচনাকে প্রাধান্য দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার বারবার হাসিনার মতো স্বজনপ্রীতি কায়েম করে পেছনের দিকে যেতে চায়। সরকারকে আমরা এটা বলতে চাই যে চব্বিশের যেই গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, সে অভ্যুত্থানের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল মেধাবীদেরকে নিয়োগ দেওয়া।
তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করব, আপনারা এদেশের মেধাবী শিক্ষার্থী যারা, তাদেরকে হয়রানি না করে তাদেরকে নিয়োগ দিন। প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদেরকে পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি করা হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় জেলায় মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে বাদ দেয়া হয়েছে। সরকারের প্রতি এসব হয়রানি ও নিয়োগে বৈষম্য বন্ধ করে মেধাবীদের নিয়োগ দেওয়ার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি বন্ধ এবং জুলাই সনদ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে হবে।