মাদ্রাসার ৯ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তির প্রক্রিয়া শুরু অধিদপ্তরের

মাদ্রাসার ৯ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তির প্রক্রিয়া শুরু অধিদপ্তরের

ফাইল ছবি

সহকর্মীকে মারধর, জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার, বিধিবহির্ভূত নিয়োগ ও সরকারি নথি জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে ৯ মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের পর তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জারি করা পৃথক কারণ দর্শানোর নোটিশে তাদের বিরুদ্ধে এমপিও স্থগিত ও ইনডেক্স কর্তনসহ প্রশাসনিক এবং আইনগত ব্যবস্থা কেন নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্টদের তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ— কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের গোপালনগর মহিলা আলিম মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম, কুমিল্লার দাউদকান্দি মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমীন, ভোলার চরফ্যাশনের দক্ষিণ চরআইচা রাব্বানিয়া আলিম মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেন, নীলফামারীর জলঢাকার গোলনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও একই মাদ্রাসার প্রভাষক হোসাইন আহমেদ, গাজীপুরের কাপাসিয়ার বিবাদীয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. আফজাল হোসেন ও সহকারী শিক্ষক লুৎফুন নাহার, ময়মনসিংহের ত্রিশালের বীররামপুর জান্নাতুল উলুম আলিম মাদ্রাসার ইবতেদায়ী প্রধান শামিমা নাছরিন।