কম্বোডিয়াকে হারিয়ে আসিয়ান চ্যালেঞ্জ কাপ চ্যাম্পিয়ন হংকং

কম্বোডিয়াকে হারিয়ে আসিয়ান চ্যালেঞ্জ কাপ চ্যাম্পিয়ন হংকং

সংগৃহীত

ফাইনালে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল হংকং চায়না। প্রথমার্ধে ম্যাট ওরের গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধে ভিএআরের সহায়তায় পাওয়া পেনাল্টি থেকে এভারটন কামার্গোর স্কোরে শেষ পর্যন্ত কম্বোডিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফিফা আসিয়ান চ্যালেঞ্জ কাপের শিরোপা জিতেছে হংকং।

শনিবার ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। জুনের হারের জবাবটা ঘরের মাঠেই দিল হংকং। দুই দলের সবশেষ ১৪ দেখায় হংকংয়ের জয় ছিল ৯টি, ড্র ৩টি এবং হার ২টি। তবে চলতি বছরের জুনে কম্বোডিয়ার কাছে ২-০ গোলে হেরে ৫৫ বছর পর প্রথমবারের পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছিল হংকং। তাই ফাইনালটি হয়ে উঠেছিল সেই হারের জবাব দেওয়ার মঞ্চ।

ঘরের মাঠের দর্শকদের সমর্থন নিয়ে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল হংকং। ম্যাচের পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সান মিং-হিমের আক্রমণ থেকে সুযোগ তৈরি হয়। তার পাসে ফিলিপ চ্যান সিউ-কোয়ান শট নিলেও সেটি লক্ষ্যে থাকেনি।

তবে গোলের জন্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি স্বাগতিকদের। ৪১ মিনিটে সান মিং-হিমের নিখুঁত থ্রু পাস থেকে বল পেয়ে ঠান্ডা মাথায় কম্বোডিয়ার জালে পাঠান ম্যাট অর। তার গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় হংকং। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার ধরে রাখে স্বাগতিকরা। ৫২ মিনিটে ম্যাট অরের ক্রস থেকে বক্সে বল পান ফিলিপ চ্যান। তাকে কম্বোডিয়ার এক ডিফেন্ডার ফাউল করলে প্রথমে পেনাল্টি দেননি রেফারি। পরে ভিএআর পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত বদলে পেনাল্টি দেওয়া হয়।

স্পট কিক থেকে কোনো ভুল করেননি এভারটন কামার্গো। তার নিখুঁত শটে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হংকং।

শেষ দিকে ব্যবধান কমাতে একের পর এক আক্রমণ চালায় কম্বোডিয়া। প্রতিপক্ষের সব আক্রমণ ঠেকিয়ে ক্লিন শিট রেখেই ম্যাচ শেষ করে হংকং। শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গে উদযাপনে মাতে স্বাগতিকরা।