অজু পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম। অজুর আভিধানিক অর্থ- সৌন্দর্য, পরিষ্কার ও স্বচ্ছতা। শরিয়তের পরিভাষায় পবিত্রতা অর্জনের নিয়তে নির্দিষ্ট অঙ্গসমূহে পানি ব্যবহার করাকে অজু বলে। হাদিসে অজুকে নামাজের চাবি বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
অজু
নেত্রকোনায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নামাজের অজু করার সময় আনোয়ার নামে এক হাফেজকে কুপিয়ে হত্যা করার দায়ে রাজা মিয়া (২২) নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে আরও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
অনিচ্ছাকৃতভাবে হলেও অজু বা গোসলের সময় যদি পানি গলার ভেতরে চলে যায় কিংবা নাক দিয়ে খাদ্যনালিতে তা প্রবেশ করে, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। তবে এর দ্বারা শুধু রোজার কাজা আদায় করতে হবে, কাফফারা প্রযোজ্য নয়।
ইবাদত, পর্দা, পবিত্রতা, সাজ-সজ্জা ইত্যাদি বিষয়ে নারীদের কিছু ভিন্নতা রয়েছে। শরিয়তের বিধি-বিধান পালনের ক্ষেত্রে আলাদা এসব মাসয়ালা জানা নারীদের জন্য জরুরি।
মোবাইল আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগের দিনে যে কাজ অনেক কঠিন ছিল, মোবাইলের মাধ্যমে এখন তা খুব সহজেই করা যায়।
পবিত্রতা অর্জনের অন্যতম মাধ্যম অজু। শারীরিক পবিত্রতার ক্ষেত্রে গোসলের পরেই অজুর অবস্থান। অন্যদিকে পবিত্রতা অর্জনকারীদের খোদ মহান রাব্বুল আলামিন ভালোবাসেন (সুরা তাওবা, আয়াত: ১০৮)।
শিশুকে বুকের দুধ পান করানো অজু ভঙ্গের কারণ নয়। তাই কোরআন স্পর্শ করে তিলাওয়াতের সময়ও প্রয়োজনে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো যাবে।
অজুর বিভিন্ন দোয়া সমাজে প্রচলিত আছে। দোয়াগুলো আমাদের অনেকেই অজু করার সময় পড়ে থাকি। কিন্তু আমাদের জানা উচিত, প্রত্যেক বিষয়েই নবীজির সুন্নাহ পালন করলেই সওয়াব হবে। সুন্নতের বাইরে কোনো আমলে সওয়াব লাভের সুযোগ নেই।
ইসলামে অজু পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম ও ফজিলতপূর্ণ আমল। নামাজ, তাওয়াফ, কোরআন স্পর্শ করার জন্য অজু অবস্থায় থাকা বাধ্যতামূলক। জিকির, তিলাওয়াতসহ অনেক আমল অজু ছাড়াও করা যায়, কিন্তু অজু অবস্থায় করলে সওয়াব বেড়ে যায়।
বরগুনার আমতলীতে বিষধর সাপের কামড়ে রেজিমোন (৫০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই গুলিশাখালী ইউনিয়নের সর্বত্র এখন রাসেলস ভাইপার সাপের আতঙ্ক বিরাজ করছে।