আমাদের জীবনে কিছু বিষয় আছে যেগুলোকে আমরা স্বভাবতই ‘খারাপ’ বা ‘অস্বাস্থ্যকর’ মনে করি। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, সব সময় চোখে দেখা বা প্রচলিত ধারণাই ঠিক নয়। অনেক অভ্যাস আছে যেগুলোকে আমরা নেতিবাচক ভাবি, অথচ সঠিক মাত্রায় করলে সেগুলো শরীর ও মনের জন্য আশ্চর্য উপকার বয়ে আনে।
অভ্যাস
দিনের শুরুটাই ঠিকভাবে না হলে পুরো দিনটাই যেন তালগোল পাকিয়ে যায়। সকালের সময়টুকু শরীর ও মনের ভারসাম্য গড়ে তোলার সেরা সময়। কিন্তু অনেকে অজান্তেই এমন কিছু অভ্যাস গড়ে তোলেন, যা ধীরে ধীরে শরীরের ওপর চাপ ফেলে এবং মানসিক প্রশান্তি নষ্ট করে দেয়।
ঘরের মাঠে এক ম্যাচ আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। দিনের পর দিন ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ হচ্ছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা।
খাবার খাওয়ার পর প্লেট অনেকেই টেবিলে রেখে দেন। গৃহ পরিচিকা কিংবা ঘরের নারী সদস্যরা সাধারণত সবার প্লেট ধুয়ে পরিষ্কার করেন।
নিজের ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভবত আমরা সবাই চাই। কিন্তু চ্যালেঞ্জগুলোতে লেগে থাকাটাই কঠিন হয়ে পড়ে। অনেকটা উৎসাহ নিয়ে শুরু করার পর ধীরে ধীরে তা ক্লান্তিকর হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু আকর্ষণীয় স্লোগান এবং চটকদার প্রবণতার বাইরে একটি সহজ সত্য আছে -
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আমাদের জীবনের প্রতিটি স্তরে প্লাস্টিকের ব্যবহার সীমিত করতে হবে।
শিশুর মধ্যে বিভিন্ন আচরণগত সমস্যা দেখা যায়। এদিক-ওদিক অনবরত মাথা ঘোরানো, শরীর নাচানো, বৃদ্ধাঙুল চোষা, নখ খুঁটানো, দাঁতে দাঁত ঘষা, দম বন্ধ করে থাকা অথবা হাঁ করে বাতাস গেলা, এই ধরনের অনেক অভ্যাসজনিত সমস্যা শিশুর মধ্যে দেখা যায়।
সঠিক পথে উপার্জন করে ধনী হওয়া সহজ নয়। সেজন্য প্রয়োজন হয় কঠোর পরিশ্রম ও লেগে থাকার মানসিকতা। বিশ্বে যত সফল ও ধনী ব্যক্তি আছেন,
সফল হতে চাইলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, এটা ঠিক। কিন্তু অনেক সময় ছোট ছোট বিষয়কে উপেক্ষা করে জীবনে ব্যর্থতা ডেকে আনেন অনেকে। বিশেষ করে দেখা যায়, যে ব্যক্তি জীবনে ব্যর্থ হয় তিনি এই ৬টি জিনিসের পুনরাবৃত্তি করেন।
অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই একঘেয়েমি থেকে বা মানসিক চাপের কারণে ঘটে, কিন্তু যদি নিয়ন্ত্রণ না করা হয় তবে এটি একটি ক্ষতিকর অভ্যাস হয়ে উঠতে পারে যা বিভিন্ন উপায়ে শরীরের ক্ষতি করতে পারে।