অনেকেরই অভ্যাস আছে খাবার খাওয়ার পরপরই বিশ্রাম নেওয়ার। কেউ বিছানায় শুয়ে পড়েন, আবার কেউ চেয়ারে বসেই ঝিমাতে থাকেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
অভ্যাস
পেটের গ্যাস, অ্যাসিডিটি, বদহজম কিংবা পেট ফাঁপার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। কেউ নিয়মিত ওষুধ খান, কেউ আবার ঘরোয়া নানা উপায় অনুসরণ করেন। দই খাওয়া, ভেজানো মশলার পানি পান করা বা বেশি করে পানি খাওয়ার মতো পরামর্শও প্রায়ই শোনা যায়।
অনেকেরই নিজের অজান্তে বারবার মুখে হাত দেওয়ার অভ্যাস আছে। অনেকে মুখে কোনো ব্রণ বা ফুসকুড়ি উঠলে সেখানে বারবার স্পর্শ করেন।
পুরুষরা অলসতাবশত বা কর্মব্যস্ততার অজুহাতে বা গাফিলতির কারণে ঈমান শিক্ষা করে না এবং ফরজে আইন পরিমাণ ইলম অর্জন করে না।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে, বিশ্বজুড়ে দ্রুত বাড়ছে স্থূলতা, কোলেস্টেরল ও থাইরয়েড সংক্রান্ত সমস্যা।
ঝকঝকে হাসি কে না চায়! কিন্তু সেই হাসির আড়ালেই লুকিয়ে থাকতে পারে বড় বিপদ। দাঁতে শিরশির, হালকা ব্যথা বা আগের মতো উজ্জ্বল না লাগা-এসবকে আমরা অনেক সময় গুরুত্ব দিই না।
ইনফার্টিলিটির সমস্যা কেবল নারীদের। এমনটাই ভাবেন অনেকে। এই ধারণা কিন্তু ভুল। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, পুরুষদের মধ্যেও রয়েছে ইনফার্টিলিটির সমস্যা। অতিরিক্ত কাজের চাপ, ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের ঘাটতির মতো ছোট-বড় অনেক কারণে কমছে পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা।
দাম্পত্য জীবনে সন্তানের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হলে বেশির ভাগ সময় নজর যায় নারীর দিকে। অথচ চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে পুরুষের ভূমিকা সমান গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বজুড়ে পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা কমে আসছে।
ভারতের সাবেক স্পিনার হরভজন সিং মনে করেন, ঘরের মাঠে টেস্ট ম্যাচে নিজেদের সুবিধামতো র্যাঙ্ক টার্নার বানানোর অভ্যাস থেকে এখনই বেরিয়ে আসা উচিত ভারতের
ব্যস্ত জীবনে সুস্থ থাকতে নিয়ম মানা বেশ কঠিন হয়ে যায়। অনেকে তাই নিয়মিত হাঁটেন, আবার স্মার্টওয়াচ বা অ্যাপ ব্যবহার করে প্রতিদিন ১০ হাজার কদম হাঁটার লক্ষ্যও ঠিক করে নেন।