শনিবার সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামে বিশেষ ফ্লাইট যাওয়ার কথা ছিল। কিন্ত ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি না পাওয়ায় সিডিউল বিপর্যয় ঘটে। অর্ধেক ফ্লাইট বাতিলও হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। তবে রবিবার বিশেষ সব ফ্লাইট সঠিকভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।
- ইরানের পক্ষে যুদ্ধে জড়াত চীন-রাশিয়া-তুরস্ক - ট্রাম্প
- * * * *
- ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনে যাবে আইএইএ
- * * * *
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় আদ্-দ্বীনের সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ
- * * * *
- জাতিসংঘের অনুসন্ধান : ফিলিস্তিনিদের নির্মূলে ইসরায়েলের টার্গেট শিশুরা
- * * * *
- কংগ্রেসের কাছে ট্রাম্প ৮৭৬০ কোটি ডলার চাইলেন
- * * * *
আরব
পবিত্র রমজান মাস থেকে কোভিড -১৯ এর টিকা নেয়া লোকজনকেই কেবল মক্কায় বছরব্যাপী ওমরাহ পালনের অনুমতি দেয়া হবে।
ইয়েমেনের সামরিক বাহিনী সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। ইয়েমেনি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি আজ (বৃহস্পতিবার) তার টুইটার পেজে লিখেছেন, "আমাদের ড্রোন ফোর্স রিয়াদের চারটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবস্থানে হামলা চালিয়েছে
চলতি বছরের রজমানে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন গ্রহণ ছাড়াই পবিত্র ওমরাহ করা যাবে বলে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় অনুমতি দিয়েছে।
পবিত্র মাহে রমজানে সৌদি আরবের মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদীনার মসজিদে নববীতে এবার এতেকাফের সুযোগ থাকছে না। রবিবার (২৮ মার্চ) পবিত্র দুই মসজিদ বিষয়ক জেনারেল প্রেসিডেন্সির প্রধান ও মসজিদুল হারামের ইমাম শেখ আবদুর রহমান আল-সুদাইস দুই মসজিদে রমজানের পরিকল্পনা ঘোষণাকালে এই কথা জানান।
ইয়মেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ডাক্তার নাজিব খলিল আল-কাবাতি বলেছেন, সৌদি নেতৃত্বাধীন কথিত আরব জোটের সামরিক আগ্রাসনে তার দেশে এ পর্যন্ত অন্তত ৫২৩টি চিকিৎসাকেন্দ্র ধ্বংস হয়েছে। ইরানের টেলিভিশন চ্যানেল প্রেস টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন ডাক্তার নাজিব খলিল। তিনি বলেন, এসব হাসপাতাল ও মেডিক্যাল সেন্টার ধ্বংসের জন্য সৌদি জোটই দায়ী ।
ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলন সমর্থিত সামরিক বাহিনী সৌদি আরবের আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন করে আবার হামলা চালিয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দারিদ্র্যপীড়িত ইয়েমেনের ওপর যে সামরিক আগ্রাসন চালাচ্ছে তার জবাবে এই ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
সীমান্তে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে মাসখানেক আগে অস্ত্রবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত ও পাকিস্তান। ওই সমঝোতায় বড় ভূমিকা পালন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত এমনটাই জানা গেছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, সৌদি আরব তুরস্কের কাছ থেকে অস্ত্রবাহী ড্রোন কিনতে চায়। সৌদি আরবের এই আগ্রহকে দুটি দেশের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত পাঁচ বছরে সারা বিশ্বে যে পরিমাণে অস্ত্র বিক্রি হয়েছে তার এক-তৃতীয়াংশের বেশি আমেরিকায় তৈরি হয়েছে এবং এ সময়ে সৌদি আরব সবচেয়ে বেশি অস্ত্র কিনেছে।