আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের আগষ্টে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সময় প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন, এ নিয়ে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত ছাত্রনেতাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তেই ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করা হয়। তবে বিদেশ থেকে ফিরে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রাক্কালে উপদেষ্টা পরিষদের খসড়া তালিকায় কাটছাঁট করে নিজের পছন্দের কয়েকজনের নাম যোগ করেন তিনি।
- কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু
- * * * *
- সিদ্ধিরগঞ্জে আওয়ামী লীগ-যুবলীগের ৫ নেতাকর্মী গ্রেফতার
- * * * *
- বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ ঘিরে মিরপুরে যান চলাচলে ডিএমপির নির্দেশনা
- * * * *
- রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে ঘুঘুর বাচ্চা নিতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু
- * * * *
- ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে টাকা লুট
- * * * *
ইউনূস
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাংবাদিকদের একটি সৌজন্য সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিবের আক্রোশের কবলে পড়ে বঙ্গভবনের প্রেস উইং। বঙ্গভবনে বর্তমানে কোনো প্রেস উইং নেই। ওই সময় এখান থেকে গোটা প্রেস উইং প্রত্যাহার করে নেয় বলে অভিযোগ করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
বিদেশে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে পরিকল্পিতভাবে আড়ালে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁর ভাষায়, বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রপতির অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ এলেও তখনকার সরকারের কর্তাব্যক্তিরা তাঁর বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ান। গত শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে কালের কণ্ঠকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
যেকোনো সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি। একটি সরকার যেভাবেই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করুক না কেন, তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। কারণ জনগণই প্রজাতন্ত্রের মালিক। নির্বাচিত সরকারের জবাবদিহি ও দায়বদ্ধতার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে।
অবশেষে শেষ হলো ড. ইউনূসের শাসনামল। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণের পরপরই ইউনূসের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। একটি গণঅভ্যুত্থানের পর আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের অভিপ্রায় অনুযায়ী শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে জাতি বরণ করে নেয়। ড. ইউনূস একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব।
নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের কোনো ধরনের সহিংস আচরণ, কেন্দ্র দখল, ভোটে প্রভাব বিস্তার করা কিংবা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
ড. ইউনূস আজ মঙ্গলবার শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পাকে ডেকেছিলেন।বিষয়টি শম্পা নিজেই সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘আমরা কেউই চিরস্থায়ী নই। কিন্তু নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন। তারা যেন জানে—এই দেশ কোথা থেকে এলো, কিভাবে যুদ্ধ হয়েছে। যুদ্ধ তো একটা না, সামনে আরো যুদ্ধ আসবে।
ভোটের ফল নিয়ে বিরোধ সামাল দেওয়া ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। আন্তর্জাতিক সংকট বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ (আইসিজি) গতকাল সোমবার এক বিশ্লেষণে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মানবাধিকারকে বিশ্বাসের একটি অংশ হিসেবে প্রচার করা উচিত, যাতে প্রতিটি মানুষের জীবনের মূল্য মর্যাদার সাথে এবং কোনো বৈষম্য ছাড়াই প্রতিষ্ঠিত হয়।