এক সময় বাঙালির বিকেলের নাস্তায় নিয়মিত থাকত ছোলা ভাজা, চিঁড়া ভাজা কিংবা মুড়ি। সময় বদলেছে, বদলেছে খাদ্যাভ্যাসও।
উপকার
দুধ ও খেজুর দুটিই পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবার। নিয়মিত দুধের সঙ্গে খেজুর মিশিয়ে খেলে শরীর পায় নানা পুষ্টিগুণ।
রঙিন শাকসবজির মধ্যে অন্যতম মিষ্টি কুমড়া। মিষ্টি কুমড়া শুধু রান্নায় স্বাদই বাড়ায় না, বরং এটি একটি শক্তিশালী পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি।
শীত এলে আমাদের দেশে পিঠাপুলির দিন শুরু হয়ে যায়। আর এই পিঠাপুলি পূর্ণতা পায় গুড় পেলে। এ ছাড়া আরো নানা পদেই মিশে যায় এই উপাদান। অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর গুড় লিভারের কোষকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে এবং এর স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়ক।
অনেক ধরনের ফল আছে, প্রতিটিরই আলাদা আলাদা গুণ রয়েছে। কেউ কলা, কেউ আপেল, কেউ কমলালেবু অথবা আঙুর ফল খুব পছন্দ করেন।
কলার থোড় হলো কলা গাছের ভোজ্য, তন্তুযুক্ত মূল, যা বাঙালি খাবারে বেশ জনপ্রিয়।
শীত এলেই মাঠ-ঘাট ভরে ওঠে হলুদ রঙের সরিষা ফুলে। মানুষ ছবি তোলে, কবিতা লেখে, মন ভিজিয়ে নেয়।
বাজারে সারা বছরই পাওয়া যায় টমেটো। অথচ তা রান্নায় যতটা ব্যবহার করা হয়, কাঁচা ততটা খাওয়া হয় না।
হঠাৎ দাঁত ব্যথা শুরু হলে অনেকেই ঘরোয়া উপায়ে আরাম পেতে চান। এই ক্ষেত্রে বহুদিনের পরিচিত প্রাকৃতিক উপাদান হলো লবঙ্গ।
শীতের সকালে চা কিংবা কফি পান করা শরীর ও মন উভয়ের জন্যই বেশ উপকারী। কারণ চা, বিশেষ করে সবুজ ও কালো চা এবং কফি উভয়ই অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর।