ডায়াবেটিস এখন আর বিরল রোগ নয়—ঘরে ঘরে তার উপস্থিতি। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেউ খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনেন, কেউ নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, আবার কেউ দুটোরই সমন্বয় রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু হঠাৎ করে জীবনযাত্রায় বড় বদল আনা বাস্তবে অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না।
উপকার
সবার রান্নাঘরেই এমন অনেক মসলা খুঁজে পাওয়া যায়, যা স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং দেহকে শক্তিশালী করে তোলে।
আমরা সাধারণত আলুর খোসা কাটার পর ফেলে দেই। চাইলে কিন্তু এই খোসা না ফেলে ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন। এটু স্কিন ইলাস্টিসিটি বাড়াতে সাহায্য করে।
মটরশুঁটি প্রোটিন, ফাইবার এবং পুষ্টির একটি চমৎকার উৎস। এটি খেতেও সুস্বাদু। শীতের মৌসুমে মটরশুঁটি পাওয়া যায়।
শীত এলেই ঘরে ঘরে আমলকীর আচার বানানোর ধুম পড়ে। কেউ বানান ঝাল, কেউ টক-মিষ্টি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমলকীর আচার বানিয়ে খেলে কি আসলেই এর ভিটামিন সি পাওয়া যায়?
শীতকালে বাজারে গেলে যে সবজিটি সবার আগে চোখে পড়ে তার নাম মুলা। সালাদ, তরকারি বা ভর্তা, বিভিন্নভাবে এই সবজি খাওয়া হয়।
গাজরের রস একটি জনপ্রিয় ও স্বাস্থ্যকর পানীয়। এটি দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গর্ভবতী নারীদের খাবারের একটি বিশাল তালিকা দেওয়া হয়, তবে কী কী খাবার খাবেন সে সম্পর্কে খুব কম আলোচনাই করা হয়।
শীত মানেই পিঠা-পুলি খাওয়ার ধুম। ভাপা, পুলি, দুধ চিতই সহ নানান রকমের পিঠার বাহার। এই পিঠার মূল উপকরণের একটি হচ্ছে নলেন গুড়।
খাবার খাওয়ার পর এক খিলি পান খাওয়ার চল বাঙালির বহু পুরনো অভ্যাস। হজমশক্তি বাড়ানো বা মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে পান পাতার জুড়ি মেলা ভার।