ওজন কমাতে স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় এখন চিয়া, তিসি বা তুলসীর বীজের পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছে ইসবগুলও।
ওজন কমাতে
ওজন কমানোর কথা ভাবলেই অনেকের মাথায় প্রথমে আসে না খেয়ে থাকা বা সকালের নাশতা বাদ দেয়ার চিন্তা। অথচ বাস্তবতা হলো, দিনের প্রথম খাবারটি ঠিকভাবে খাওয়াই ওজন কমানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
নারীরা সাধারণত সুন্দর-আকর্ষণীয় শরীর ধরে রাখতে এবং সুস্থ থাকার উদ্দেশ্যেই ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। তবে অনেক সময় কিছু ভুল অভ্যাস তাদের শরীরের মেটাবলিজম ধীর করে দেয়, হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং দীর্ঘমেয়াদে ওজন কমানোকে আরও কঠিন করে তোলে।
ওজন কমাতে যারা ডায়েট করছেন, তাদের জন্য ব্রোকলি হতে পারে একটি জাদুকরী খাবার। পুষ্টিবিদদের মতে, ১০০ গ্রাম ব্রোকলিতে মাত্র ৩৪ ক্যালোরি থাকে, অথচ এটি ফাইবার ও প্রোটিনে পূর্ণ।
এই সময়ে বাজারজাত চিনিযুক্ত কোল্ড ড্রিংকস বা উচ্চ ক্যালরির খাবারের পরিবর্তে প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর পানীয় গ্রহণ করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।
ওজন কমানোর চেষ্টায় অনেকেই খাবার কমিয়ে দেন বা প্রিয় খাবার বাদ দেন। এতে দ্রুত ওজন কমলেও শরীরে পুষ্টির ঘাটতি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
ওজন কমাতে লাউ ভীষণ উপকারী। কারণ এতে ক্যালরি কম, জলীয় অংশ বেশি (প্রায় ৯৬%) এবং প্রচুর ফাইবার থাকে, যা পেট ভরা রাখে, ক্ষুধা কমায়, হজমশক্তি বাড়ায় এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে।
ইদানীং পুষ্টিবিদদের মধ্যে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে। কাঁচকলায় প্রচুর পরিমাণে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ও উপকারী ফাইবার ‘পেকটিন’ পাওয়া যায়।
আপনার সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি, অফিস পৌঁছাতে দেরি। সেই সঙ্গে স্বাভাবিক নিয়মে বাড়ি ফিরতেও দেরি হওয়ার কথা।
উৎসব আয়োজন কিংবা বিশেষ দিনে যে পেটভরে খাবেন তার উপায় নেই। কদিন ভালোমন্দ খেলেই ওজন মাপার মেশিন জানান দেয় শরীরের ওজন বেড়েছে ২-৩ কেজি। বাড়তি ওজন নিয়ে মন খারাপ করা ছাড়া উপায় থাকে না।