কুড়িগ্রামে শীতের তীব্রতা গত দুদিনে আরও বেড়েছে। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাতভর ঠান্ডা এবং সকাল দশটা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকে গোটা জনপদ।
কুড়িগ্রাম
ঘন কুয়াশা আর শীতের তীব্রতায় দুর্ভোগে পড়েছে কুড়িগ্রামের মানুষ। এ জেলায় রাতে প্রচণ্ড ঠান্ডার সঙ্গে পড়ে ঘন কুয়াশা।
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশু মারা গেছে। সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজিবপুর থানার ওসি মো. সেলিমুর রহমান।
কুড়িগ্রামের উলিপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে উম্মে কুলসুম (৩০) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি গত শনিবার উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নে কিশোরপুর বকসিপাড়া গ্রামে ঘটেছে।
ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহড়ি ঢলে কুড়িগ্রামে দ্রুত বাড়ছে নদ-নদীর পানি। এতে নতুন নতুন এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষ। চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে জেলার বন্যা কবলিত চরাঞ্চলের মানুষের।
হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডায় কুড়িগ্রামে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ। ঘন কুয়াশার দাপট কম থাকলেও দুইদিন থেকে সূর্যের দেখা নেই। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশায় ঢেকে আছে চারদিক। সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন। এ জেলায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা।
রোববার (১০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় এ জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কুড়িগ্রামের উলিপুরের গিদারী নদীর উপরের একটি সেতু স্রোতের তোড়ে ভেঙে পড়েছে। সেতুটি দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে পাণ্ডুল ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ।
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে তিস্তা নদীর পানি কমে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদ-নদীর পানি বাড়লেও এখনও তা বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হচ্ছে।