সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাইক্রোপ্লাস্টিক খাদ্য সুরক্ষার অন্যতম প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। এটি পানি, সামুদ্রিক খাবার, ফল, শাক-সবজি, লবণ, মধু, চা, চাল, মাংস এবং এমনকী আমরা যে বাতাসে শ্বাস-প্রশ্বাস নিই, সেখানেও পাওয়া গেছে।
ক্ষতিকর
সরাসরি ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি পান করার ক্ষেত্রে আমাদের বেশিরভাগ সময়েই সতর্ক করা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়, ঠান্ডা পানি পান করা হার্টের জন্য ক্ষতিকর।
টুথপেস্টের পর এবার দুধ-চিনিতেও মিলল ক্ষতিকর ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’। কাঁচা দুধ, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত তরল ও গুঁড়া দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্যে ‘মাইক্রোপ্লাস্টিকের’ উপস্থিতি শনাক্ত করেছেন গবেষকরা।
লিচু পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। তবে যতই পুষ্টিগুণে ভরপুর হোক না কেন, খালি পেটে অতিরিক্ত লিচু খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে এর ঝুঁকি আরও বেশি।
অনেকেরই অভ্যাস আছে খাবার খাওয়ার পরপরই বিশ্রাম নেওয়ার। কেউ বিছানায় শুয়ে পড়েন, আবার কেউ চেয়ারে বসেই ঝিমাতে থাকেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বর্তমানে নাইট শিফটে কাজ করেন, বিশেষ করে আইটি, কল সেন্টার, স্বাস্থ্যসেবা কিংবা আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টভিত্তিক পেশায় যুক্ত তাদের তো করতেই হয়। অনেকেই মনে করেন, রাত জেগে কাজ করলে শুধু ঘুমের সময়সূচি একটু এলোমেলো হয়।
চায়ের কড়া লিকার, ঘন দুধ, সঙ্গে দু চা চামচ চিনি মিশিয়ে যে পানীয়টি তৈরি হয় তা যেন অনেকের কাছে স্বর্গীয় স্বাদ।
শীতকালে ঠান্ডা পানি খাওয়ায় যেন দায়। এসময় সবাই বেছে নেন হালকা কুসুম গরম পানি। কিন্তু অনেকের মনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় তা হলো এটি কী ক্ষতিকর?
কাজের ফাঁকে, আড্ডায়, অবসরে চা ছাড়া যেন চলেই না। আর যদি হয় দুধ চা। লিকার চায়ের থেকে দুধ চা খেতেই অনেকে বেশি পছন্দ করেন।
শীতকালীন সবজি হলেও টমেটো সারা বছরই পাওয়া যায়। তবে নানা ধরনের পুষ্টি উপাদানে ভরপুর থাকলেও অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে তা উপকারের পরিবর্তে ক্ষতির কারণ হতে পারে।