কেউ যদি বেশি খাও, খাওয়ার হিসাব নাও। এ শুধু গানের কথা নয়। সুস্থ জীবনযাত্রার জন্য অতি জরুরি এক ভাবনা। কেন বেশি খাচ্ছেন, তা জানা জরুরি। অন্য কেউ খাবারের ভাগ পাবে না, সে কারণে কি? শুধু তা নয়। নিজের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের নির্ধারকও আপনার খাদ্যাভ্যাস।
- তিন ইরানি পাইলটকে বন্দির দাবি প্রত্যাখ্যান করল কাতার
- * * * *
- খাবার না পেয়ে ‘খিদের জ্বালায়’ রেস্তোরাঁর বাইরে আত্মহত্যা
- * * * *
- ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত কলম্বিয়া: ট্রাম্পের কাছে শুল্কছাড়ের অনুরোধ
- * * * *
- শ্রীপুরে সন্তানের সামনে বাবাকে পিটিয়ে হত্যা
- * * * *
- আসামি ধরতে গিয়ে হামলায় এএসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত
- * * * *
খাবার
দেশে চলমান লকডাউনে আজ থেকে টানা ৭ দিন ৫ হাজার ছিন্নমূল, পথশিশু, সুবিধাবঞ্চিত, দিনমজুর, অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
যখন আপনি ওজন কমানোর লক্ষ নিয়ে এগোচ্ছেন তখন আপনি কি খাচ্ছেন আর কি খাচ্ছেন না, ওজন কমানোটা অনেকটাই তার ওপর নির্ভরশীল। সঠিক সময়ে খাবার খেলে সেটা সঠিক ভাবে হজম হওয়ার পাশাপাশি মেটাবোলিজম রেট রেট বৃদ্ধি করে, যা ওজন কমানোর জন্য উপযোগী।
গরমকাল মানে আমাদের কাছে একরাশ বিরক্তি। ঘনঘন ঘেমে যাওয়া, তার পাশাপাশি আবার অনেকের সময় হয় হজমের সমস্যা। সব মিলিয়ে একেবারে মন মেজাজটাই যেনো বিগড়ে যায়। তাই আমাদের জীবনযাত্রায় কিছু সাধারণ পরিবর্তন আনতে পারলেই এই সমস্যাগুলি থেকে ঝটপট মুক্তি পাব আমরা।
পাবনা প্রতিনিধি: সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে পাবনা জেলা কারাগারে বন্দিদের মাঝে উন্নতমানের খাবার বিতরণ ও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এখন শুধু শহরের রাস্তায় নয় গ্রামের রাস্তায়ও পাওয়া যায় তেলেভাজা খাবার, ফুচকা, চকলেট। চোখ গেলেই সামলে রাখা যায় না নিজের খাদ্যরসকে। এমনটাই স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। কিন্তু এটাই আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই খারাপ।
ঠোঁটের কোণে ঘা, দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হয়ে আসা, রক্তাল্পতা বা হাড়ের সমস্যা... এ জাতীয় বিভিন্ন রোগবালাই ডেকে আনতে পারে অপুষ্টি। আবার অতিরিক্ত খাবারের ফলেও শরীরে বাসা বাধতে পারে ওবেসিটির মতো রোগ।
শীতের আর্দ্র বা ঠাণ্ডা আবহাওয়া মানুষের মন-মেজাজকেও প্রভাবিত করে। শীতকালে কিছু রোগব্যাধিতে মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হয়।
প্রোটিন আমাদের দেহের ক্ষতিগ্রস্থ অংশ পুনরুদ্ধারে কাজ করে। এটি মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসের জন্যও দারুণ উপকারী, যা আমাদের মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ করতে কাজ করে।
সকালে উঠে স্কুলের তাড়া নেই, সাঁতার, আঁকা, নাচ ,গান বা টেবিল টেনিস খেলাও বন্ধ, নেই টিউশন যাওয়ার জন্য রেডি হওয়া। করোনার যুগে সকলের সঙ্গে ছোটদের জীবনও আমূল পরিবর্তন হয়েছে।