গাজায় ইসরায়েলের ক্রমাগত হামলায় মানবিক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। খাবার এবং সুপেয় পানির জন্য সেখানে হাহাকার চলছে। গাজায় বসবাস করা এক তরুণী জানান, এখানে বসবাস করার মতো কোনো অবস্থা নেই।
গাজায়
অবশেষে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা বন্ধ করেছে ইসরায়েল।
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের চলমান সংঘর্ষে গাজায় সাতদিনে অন্তত ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ)।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় একযোগে আকাশ, সাগর আর স্থলপথে সর্বাত্মক হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল। আট দিন ধরে অবশ্য ইসরাইল ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নবম দিনে গড়িয়েছে। ইসরায়েলের অব্যাহত বিমান হামলায় কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজা। এ যেন মৃত্যু আর আতঙ্কের উপত্যকা।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলের পদাতিক বাহিনী ট্যাংকের ছত্রছায়ায় স্থল অভিযান শুরু হয়েছে। হামাস যোদ্ধাদের ‘নির্মূল’ করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলের অবিরাম বিমান হামলায় অন্তত ১৩ জিম্মি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে অঞ্চলটির ক্ষমতাসীন স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস।
উত্তর গাজার ঘনবসতিপূর্ণ জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের একটি আবাসিক ভবনে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ ঘটনায় অন্তত ৪৫ জন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়।
জাতিসংঘ বলেছে, ফিলিস্তিনি ছিটমহলে ইসরাইলের ভারী বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকায় গাজা উপত্যকায় ৩ লাখ ৩৮ হাজারের বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলিরা চালাচ্ছে তান্ডব। গত কয়েক দশক ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর যত হামলা তারা করেছে সেসবের রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে এবারের বিমান হামলা।