দুই বছরের ইসরায়েলি আগ্রাসনে ফিলিস্তিনের গাজায় ২ লাখ ৮২ হাজারের বেশি বাড়িঘর ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘ সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ।
গাজায়
ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে বলে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। একই সময়ে দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে হামলা আরো জোরদার করেছে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার এক মাস পরও ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হামলা ও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ‘শক্তিশালী’ হামলার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
দীর্ঘ দুই বছর পর গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জারি করা জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করে নিলো ইসরায়েল। অন্যদিকে, মিশর মানবিক কারণে গাজায় পাঠাচ্ছে ভারী উদ্ধার সরঞ্জাম।
ইসরায়েলি অবরোধে স্থবির হয়ে আছে ফিলিস্তিনের গাজার পুনর্গঠনকাজ। ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছে হাজারো মানুষ, আর চারদিকে ছড়িয়ে আছে বিস্ফোরিত না হওয়া সব বোমা।
গাজায় শান্তিরক্ষী পাঠাতে মালয়েশিয়া প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্যদসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে গাজায় এই শান্তিরক্ষী মিশনে যোগ দিতে প্রস্তুত কুয়ালালামপুর।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে ভূমিকার জন্য কাতারের প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর ৩.৩ বিলিয়ন ডলার সামরিক অনুদান নিশ্চিত করছে এবং ২০২৮ সাল পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষার জন্য প্রতিবছর অতিরিক্ত ৫০০ মিলিয়ন ডলারের নিশ্চয়তা দিয়েছে
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার।