শক্তিশালী থেকে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে ‘বিপর্যয়’। আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টি প্রবল শক্তি নিয়ে এখন উপকূলের দিকে এগোচ্ছে। এর প্রভাবে সাগর উত্তাল। আগামী বৃহস্পতিবার বিকালে ভারতের গুজরাট এবং পাকিস্তানের করাচি উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে বলে আবহাওয়া পূর্ভাবাসে রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়
আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ভারতের গুজরাটে কুচ ও পাকিস্তানের করাচিতে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়। ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় বিশেষ বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের প্রভাবে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য গুজরাট, মহারাষ্ট্র, গোয়া ও অন্যান্য উপকূলীয় অঞ্চলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরব সাগরের এই ঘূর্ণিঝড় তীব্রতর হবে বলে আবহাওয়াবিদরা হুঁশিয়ারি দিলে এই সতর্কতা জারি করা হয়।
আরব সাগরে সৃষ্ট গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’ অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। ঝড়ের বেগ ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার ছুঁয়ে ফেলতে পারে বলে নতুন বুলেটিনে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া ভবন।
আরব সাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’ এ পরিণত হয়েছে। এটি আরও শক্তি বাড়িয়ে ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অফিস।
সারাদেশে চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ। এটি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা।
বর্ষার আগমনের মুখে বঙ্গোপসাগরে ফের ঘূর্ণিঝড়ের ভ্রুকুটি দেখা যাচ্ছে। আর প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ঘূর্ণিঝড়ের নিশানা হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ। এই ঘূর্ণিঝড়ে সওয়ার হয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বর্ষা ঢুকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। তবে এত তাড়াতাড়ি নির্দিষ্ট পূর্বাভাস দিতে রাজি নন আবহাওয়াবিদরা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় গুয়াম দ্বীপে ব্যাপক শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসছে দানবীয় ঘূর্ণিঝড় ‘মাওয়ার’। স্থানীয় সময় বুধবার বিকেলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। এতে ব্যাপক প্রাণহানিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় দ্বীপটি জুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঘূর্ণিঝড় মোখা'র প্রভাবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাদেশী জনগোষ্ঠীর জন্য জাতিসঙ্ঘ ও এর অংশীদাররা মঙ্গলবার চার কোটি ২১ লাখ মার্কিন ডলারের আবেদন করেছে।
মিয়ানমারে আঘাত হানা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে সরকারিভাবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ১৪৫ জনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ১১৭ জন মুসলিম রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু সদস্য। শুক্রবার (১৯ মে) দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এ তথ্য জানিয়েছে।