চুল ঝরা, পাতলা হয়ে যাওয়া, অকালপক্বতা রোধ করতে জবা ফুল বেশ ভালো কাজ করে। জবা ফুলে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড চুলে কেরাটিন প্রোটিনের উৎপাদন বাড়িয়ে তোলে।
চুলের যত্ন
তবে চুলের যত্নেও গোলাপ জল ব্যবহারের উপকারিতা গোলাপ জল চুলের আর্দ্রতা বজায় রাখে ও মাথার ত্বকের সমস্যা কমায়।
অনেকেই তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে যাদের মাথার ত্বক থেকেও অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ হয় তাদের এই সমস্যা হয় বেশি। মাথার ত্বকে তেল ও সেবামের নিঃসরণের ফলে দেখা দিতে পারে খুশকি, চুলকানি, চুলের ডগা ভেঙে যাওয়ার মতো নানা সমস্যা।
রোজ ওয়াটার বা গোলাপ জল— রূপচর্চার ক্ষেত্রে একটি পরিচিত নাম। একে প্রাকৃতিক টোনারও বলা হয়। ত্বককে আর্দ্র রাখতে গোলাপ জলের জুড়ি মেলা ভার। তবে কেবল ত্বক নয়, চুলের জন্যও বেশ উপকারি উপাদানটি। আর তাই ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্নেও গোলাপ জল ব্যবহার করতে পারেন।
নিম একটি ওষুধি গাছ। যার ডাল,পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে খুবই কার্যকর।
আমরা সবাই জানি, নিম একটি ওষুধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার।
চুলের যত্নে অনেকেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে ভরসা করেন। চুল প্রাকৃতিক উপায়ে উজ্জ্বল ও ঝলমলে করতে চাইলে চা কিংবা কফি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন চুল।
চালের পানিতে থাকা নানা উপকারী উপাদান। এসব উপাদান যেমন ত্বকের জন্য ভালো, তেমনি চুলের জন্যও দারুণ উপকারী।
চিয়া সিড কেবল হজমের জন্যই ভালো নয়, ছোট্ট এই বীজ চুলের যত্নেও দারুণ কার্যকর। ওমেগা ৩ রয়েছে চিয়া বীজে, এই স্বাস্থ্যকর চর্বি প্রদাহ কমাতে এবং চুলের ফলিকলকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে।
চুল পড়া কমানোর পাশাপাশি চুল ঘন করতে সাহায্য করে প্রাকৃতিক কিছু উপাদান। নারকেল তেল, ক্যাস্টর অয়েল, পেঁয়াজ এবং কালোজিরা মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন চুলের যত্নে।