প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ লেবুর খোসা চুল পড়া রোধ করতে পারে।
চুলের যত্ন
রান্নাঘরের বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া কলার খোসাকা কিন্তু নানাভাবে কাজে লাগানো যায়। এটি যেমন ত্বকের যত্নে অনন্য, তেমনি চুল ভালো রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার।
আলু এমন একটি সবজি যা সব তরকারিতেই সহজে মানিয়ে যায়। ভাজি, ভুনা, তরকারি সবভাবেই এটি রান্না করা যায়। তবে কেবল খাবার হিসেবে নয়, চুলের জন্যও আলু দারুণ উপকারি। এতে আছে ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, জিঙ্কের মতো সব উপাদান যা চুলের গঠনে সাহায্য করে।
প্রকৃতিতেই লুকিয়ে আছে ত্বক ও চুলের সৌন্দর্যের রসদ। চুলের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য এমনই একটি ভেষজ টোটকা হচ্ছে পেয়ারা পাতা।
রক্ত থেকে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুষ্টিবিদরা ফ্ল্যাক্সসিড বা তিসি খাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে কেবল স্বাস্থ্যের জন্য নয়, এই উপাদানটি চুলের জন্যও বেশ উপকারি। চুল পড়া কমাতে, চুলের ফলিকলগুলোকে মজবুত করতে দারুণ কাজ করে তিসি।
ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের মতো পুষ্টি উপাদান মেলে ভাতের মাড়ে। তাই ফেলে না দিয়ে মাড় কাজে লাগাতে পারেন চুলের যত্নে।
কুমড়া বীজ স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। কিন্তু এই বীজের তেল কোন কাজে লাগে?
চুলের নানা ধরনের সমস্যা কমাতে পারে জিনজার এসেনশিয়াল অয়েল বা আদার তেল। খুব সহজে বাড়িতেই বনিয়ে নিতে পারেন উপকারী এই তেল।
ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটির ব্যবহার সবারই জানা। কিন্তু চুলের সমস্যার ঘরোয়া এবং চটদলজি সমাধান লুকিয়ে রয়েছে মুলতানি মাটিতে। এটা হয়তো অনেকেই জানেন না।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে যেমন গ্রিন টি সাহায্য করে, তেমনি ত্বক উজ্জ্বল রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার। বিপাকহার উন্নত করতেও গ্রিন টির রয়েছে ভূমিকা।