চমৎকার নীল রঙের অপরাজিতা ফুলের রয়েছে অনেক ঔষধি গুণ। ফুলটির শুকনো পাপড়ি দিয়ে তৈরি করা যায় নানা রকম পুষ্টিকর পানীয়।
চুলের যত্ন
পেয়ারার গুণের কথা কম-বেশি সবার জানা। স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি ফল এটি। তবে কেবল পেয়ারা নয়, এর পাতাও কম উপকারি নয়। দাঁতে ব্যথা বা মুখে দুর্গন্ধ হলে পেয়ারা পাতা ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করলে এই দুই সমস্যাই দূর হয়।
ত্বক এবং চুল উভয়ের জন্যই দুর্দান্ত একটি উপাদান হচ্ছে কফি। এটি চুলের গঠন উন্নত করে এবং চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।
চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া, চুল ঝরে যাওয়া কিংবা চুল ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো যেন লেগেই থাকে চুলে। দুই ধরনের তেল নিয়মিত ব্যবহার করলে উপকার মিলতে পারে।
অ্যালোভেরা জেল শুধু ত্বকের জন্য নয়, চুলের স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী। চুল লম্বা করা থেকে শুরু করে নানা সমস্যার সমাধান মেলে প্রাকৃতিক এই ভেষজে।
লেবু চুলের যত্নে যুগ যুগ ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। লেবু বিভিন্নভাবে চুলের ও মাথার ত্বক রক্ষা করে। মাথার ত্বকে ধুলো, ময়লা আটকে থাকে, তখন লেবুর পানি মাথার ত্বকে ব্যবহার করলে তা পরিস্কার হয়ে যায়। চুলের ফলিকলগুলো আনলক করতে সাহায্য করে লেবু।
কাজের প্রয়োজনে প্রায়ই রাস্তায় বের হয়ে দীর্ঘসময় রোদ ও ধুলোয় কাটাতে হয় আমাদের। আর বাইরে বেরুলেই ত্বক ও চুলের ভয়ঙ্কর অবস্থা হয়ে পড়ে।
চুল ও ত্বকের যত্ন নিতে বিভিন্নজন ভিন্ন ভিন্ন পন্থা কাজে লাগায়। এমনকি অনেকে চিকিৎসকের পরামর্শও নিয়ে থাকেন। তবে, প্রাকৃতিক উপায়ে যদি ত্বক এবং চলেও যত্ন নেয়া যায়, তাহলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে অ্যালোভেরা বহুল প্রচলিত।
গরমে, ঘামে চুল তেলতেলে হয়ে যায়। এ কারণে অনেকেই মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে নিয়মিত শ্যাম্পু করেন। এতেও সবসময় কাজ হয় না।
ঘন কালো ও মসৃণ চুল কে না পছন্দ করেন? আর তা পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই চুলের যত্ন নিতে হবে।