রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে রেমিট্যান্সের ডলারের দাম ১ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ফলে আমদানিকারকদের ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তির খরচও হ্রাস পাওয়ায় গতি এসেছে বাণিজ্যে।
ডলারের দাম
আমদানি দায় পরিশোধে ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে আন্তঃব্যাংক বাজার ও রেমিট্যান্স চ্যানেল থেকে ১২৩ টাকা ৮২ পয়সার বেশি দরে ডলার না কেনার মৌখিক নির্দেশ দিয়েছে।
ব্যাংকগুলো প্রতি ডলারের দাম আরও দুই টাকা করে বাড়িয়েছে। ডলার কেনা ও বেচা দুই ক্ষেত্রেই দাম বাড়াল।
নতুন বছরের শুরু থেকে ডলারের দাম আরও বাজারমুখী করতে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে ঢাকার খোলাবাজারে বেড়েছে ডলারের দাম। খোলাবাজারে প্রতি মার্কিন ডলারের দাম বেড়ে উঠেছে ১২৫ টাকায়।
বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্তের কারণে ডলারের দাম ৭ টাকা বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দীর্ঘদিন ১১০ টাকায় থাকা ডলারের অফিসিয়াল দাম এক দিনে ১১৭ টাকায় উন্নীত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এবার ডলারের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকগুলো। গত এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিল ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) থেকে কেনা-বেচায় ডলারের দাম কমবে ৫০ পয়সা।
আন্তঃব্যাংকে ডলারের দাম ৫০ পয়সা বাড়ল। গত বুধবার আন্তঃব্যাংকে প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে ১১১ টাকা করে। এর আগে মঙ্গলবার আন্তঃব্যাংকে ডলার বিক্রি হয়েছিল ১১০ টাকা ৫০ পয়সা করে।
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ডলারের দাম বাড়ানো হয়েছে। প্রবাসী আয়ের প্রতি ডলারের দাম এখন থেকে সর্বোচ্চ আড়াই শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।
ডলার কেনা-বেচায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেন না দেশের বেশিরভাগ বাণিজ্যিক ব্যাংক। বেশি দামে রেমিট্যান্সের ডলার কেনায় আমদানিতেও এর দাম বাড়ছে। ফলে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের বাজারে আরেক দফা বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।