প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে ডলারের দাম আরও ৫০ পয়সা বৃদ্ধি করে ১০৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে ডলারের দাম ১ টাকা বাড়িয়ে ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়েছে। পাশাপাশি আমদানি নিষ্পত্তিতেও ডলারের দাম ৫০ পয়সা বৃদ্ধি করে ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়।
ডলারের দাম
গেল ১৫ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে ডলারের দাম। আজ সোমবার এই খবর দিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। অন্যদিকে সোমবার ইউরোর দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী। যা আগের তুলনায় বেড়ে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) মূল মুদ্রার দাম স্থির হয়েছে ১ দশমিক ১২৪৪০ ডলারে। গত ১৬ মাসের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।
প্রবাসী ও রফতানি আয়ে ফের ডলারের দাম বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে প্রবাসী বাংলাদেশীরা রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতি ডলারে দাম পাবেন ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা। আর রফতানিকারকরা রফতানি আয়ের ক্ষেত্রে প্রতি ডলারের দাম পাবেন ১০৭ টাকা। এতদিন প্রবাসী আয়ে ডলারের দাম ছিল ১০৮ টাকা এবং রফতানি আয়ে ছিল ১০৬ টাকা।
এক মাসের ব্যবধানে রফতানি আয়ের ক্ষেত্রে ডলারের দাম ফের বাড়ানো হয়েছে। একইসাথে বাড়ানো হয়েছে রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে ডলারের দামও।
রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে ডলারের দাম এক টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে রপ্তানিকারকরা প্রতি ডলারের বিপরীতে পাবেন ১০৫ টাকা। এতদিন রপ্তানিকারকরা পেতেন ১০৪ টাকা।
আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে কমছে মার্কিন মুদ্রা ডলারের দাম। ইতোমধ্যে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) প্রধান মুদ্রা ইউরোর বিপরীতে বিগত ৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের দাম।
১০ হাজার মার্কিন ডলারের অতিরিক্ত পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার নোট একমাসের বেশি সময় কেউ নিজের কাছে রাখতে পারবেন না। বুধবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।
ডলারের সংকট কাটাতে বিলাসী পণ্যসহ সার্বিক আমদানিতে নানা শর্ত আরোপ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যার সুফল আসতে শুরু করেছে। কমেছে আমদানির এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলার পরিমাণ। যার প্রভাবে কমতে শুরু করেছে ডলারের দাম।
আমদানিকারক এবং বিদেশে শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য গমনকারীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিপরীতে টানা সরবরাহ স্বলতার মধ্যে বুধবার খোলা বাজারে মার্কিন ডলারের দাম বেড়ে ১২০ টাকায় পৌঁছেছে।