রাশিয়ার একটি তেল শোধনারগার লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী।
ড্রোন
রাজধানী কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন জায়গায় ড্রোন ও মিসাইল দিয়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) ভোরে এসব হামলা চালায় রুশ বাহিনী।
সুদানের দক্ষিণ দারফুরের একটি ব্যস্ত মার্কেটে ড্রোন হামলায় ১০ জন নিহত হয়েছেন। তবে কে এ হামলা চালিয়েছে সেটি নিশ্চিত নয়।
কামিকাজি ড্রোনের আরেক নাম আত্মঘাতী ড্রোন। এটি এমন এক ধরনের বিস্ফোরক যুদ্ধাস্ত্র, যা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার সঙ্গে সঙ্গে নিজেও ধ্বংস হয়ে যায়। অর্থাৎ আঘাতের পর ড্রোন ফিরে আসে না। সহজভাবে বললে, কামিকাজ়ি ড্রোন হলো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মাঝামাঝি একটি যুদ্ধাস্ত্র।
দেশের বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকা এবং বিমান চলাচলের উড্ডয়ন ও অবতরণ পথে সব ধরনের ড্রোন ওড়ানো নিষিদ্ধ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের রোস্তভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটেছে।
সুদানের কর্ডোফান অঞ্চলে ড্রোন হামলায় অন্তত ১০৪ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে।
কৃষ্ণসাগরের আকাশ থেকে তুরস্কের দিকে ধেয়ে আসা একটি অনিয়ন্ত্রিত ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
সুদানের দক্ষিণ করদোফান অঞ্চলে একটি কিন্ডারগার্টেনে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এতে ৩৩ শিশুসহ কমপক্ষে ৫০ জন নিহত হয়েছেন।
মাঝআকাশে ড্রোন থেকে মিসাইল ছুড়ে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ধ্বংসে সাফল্যের পর এবার সাবমেরিন বানাচ্ছে তুরস্ক।