তিস্তার পানি

বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি

বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি

বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়াও লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলায় প্রায় তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ছে।

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত

উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি আবারও বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি

বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি

বিপৎসীমার দশমিক ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি। তিস্তা নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। বুধবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৮ সেন্টিমিটার। 

বাড়ছে তিস্তার পানি, বন্যার আশঙ্কা

বাড়ছে তিস্তার পানি, বন্যার আশঙ্কা

উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি আবারও বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। তিস্তার পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিস্তার পানি বিপদৎসীমা ছুঁই ছুঁই

তিস্তার পানি বিপদৎসীমা ছুঁই ছুঁই

ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তিস্তার পানি এখন বিপদৎসীমা ছুঁই ছুঁই। রোববার সকাল ছয়টায় লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে পানি ছিল বিপদসীমার মাত্র ১৫ সেন্টিমিটার নিচে। যেকোনো মুহূর্তে তা বিপদৎসীমা ছারিয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড

ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও তিস্তার পানি বৃদ্ধির আভাস

ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও তিস্তার পানি বৃদ্ধির আভাস

উজানে ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে নেমে আসা ঢল ও স্থানীয়ভাবে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। তবে তা বিপদসীমার কিছুটা নিচ দিয়েই প্রবাহিত হবে।

তিস্তার পানি সমস্যা সমাধানে প্রকৃতিভিত্তিক আলোচনার পথ অবলম্বন করুন : ভারতীয় বিশেষজ্ঞ

তিস্তার পানি সমস্যা সমাধানে প্রকৃতিভিত্তিক আলোচনার পথ অবলম্বন করুন : ভারতীয় বিশেষজ্ঞ

ভারতীয় পানিবিশেষজ্ঞ জয়ন্ত বসু তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ মীমাংসায় প্রকৃতিভিত্তিক আলোচনার পদ্ধতি গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন।