বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়াও লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলায় প্রায় তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ছে।
- দায়িত্ব পাওয়ার তিন দিনের মাথায় অবসরের আবেদন সিআইডি প্রধানের
- * * * *
- বৃদ্ধকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু
- * * * *
- বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ
- * * * *
- কয়েল ধরাতে গিয়ে গ্যাস লাইটার বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু
- * * * *
- ১৮ বছর পর দেশে ফেরা গোয়ালন্দ যুবদলের সাবেক সভাপতি ফরিদকে সংবর্ধনা
- * * * *
তিস্তার পানি
উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি আবারও বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিপৎসীমার দশমিক ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি। তিস্তা নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। বুধবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৮ সেন্টিমিটার।
উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি আবারও বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। তিস্তার পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তিস্তার পানি বণ্টন সমস্যার সমাধান মূলত ভারতের ওপর নির্ভর করছে।
বইরী আবহাওয়ার কারণে বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি আবারো হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে।
ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তিস্তার পানি এখন বিপদৎসীমা ছুঁই ছুঁই। রোববার সকাল ছয়টায় লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে পানি ছিল বিপদসীমার মাত্র ১৫ সেন্টিমিটার নিচে। যেকোনো মুহূর্তে তা বিপদৎসীমা ছারিয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড
উজানে ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে নেমে আসা ঢল ও স্থানীয়ভাবে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। তবে তা বিপদসীমার কিছুটা নিচ দিয়েই প্রবাহিত হবে।