নীলফামারী জেলায় তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি ওঠানামা করছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার পাঁচ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
- * * * *
- কৃষিপণ্যের বাজারে সিন্ডিকেটকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা : কৃষিমন্ত্রী
- * * * *
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শিশুকে হত্যা, গ্রেপ্তার ১
- * * * *
- গলাচিপায় রাস্তায় পড়ে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু
- * * * *
- তেল নিয়ে পাম্প কর্মীদের সাথে বাইকারদের হাতাহাতি
- * * * *
তিস্তা
উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি আবারও বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। তিস্তার পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। তবে আবারও বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই তিস্তা নদীর পানি। ইতোমধ্যে পানি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রেখেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও কয়েক দিন থেকে টানা থেমে থেমে আসা বৃষ্টিতে বাড়তে শুরু করেছে তিস্তা নদীর পানি। আর তাই দেশের বৃহত্তর সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের সব জলকপাট খুলে দিতে বাধ্য হয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
উজানে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।রোববার (১৮ জুন) রাত থেকে তিস্তা নদীর পানি নীলফামারীর ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বাড়তে থাকে এবং আজ সোমবার সকাল ৬টার পর বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ ঘোষণা দিয়েছে, আসন্ন বাজেটেই নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিতে হবে। উজানে খাল খনন প্রকল্প বন্ধসহসহ ছয় দফা বাস্তবায়ন করা না হলে কঠোর আন্দোলনে যাবে তিস্তাপাড়ের মানুষ।
রংপুরের কাউনিয়ায় তিস্তা নদী থেকে আব্দুর রহিম (২২) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে তিস্তা সড়ক সেতুর ৪নং গার্ডারের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। আব্দুর রহিম লালমনিরহাট জেলার আফজাল নগর এলাকার নূরুল ইসলামের ছেলে।
সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তিস্তা নদীতে দুটি খাল খনন করার খবর প্রকাশ হবার পর, বাংলাদেশ সরকারের প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।
তিস্তা নদীতে নতুন করে খাল খনন করে পানি প্রত্যাহারের বিষয়ে ভারতের কাছে নোট ভারবাল (কূটনৈতিক পত্র) দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ।
তিস্তার পানি আরো সরিয়ে নিয়ে কৃষিকাজে ব্যবহার করবে পশ্চিমবঙ্গ। দুটি নতুন খাল খনন করে এই পানি নেয়া হবে বলে জানিয়েছে দ্য টেলিগ্রাফ। খাল খনন করতে পশ্চিমবঙ্গ সেচ বিভাগ এক হাজার একর জমি বুঝে পেয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।