ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতের জেরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। বিশেষ করে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওপর পড়েছে বড় ধরনের চাপ।
তেল রপ্তানি
হরমুজ প্রণালিতে বিঘ্নের কারণে তেল উৎপাদন কমে যাওয়ার পর বুধবার ইরাক ঘোষণা করেছে, তারা তুরস্কের সেহান বন্দরের মাধ্যমে প্রতিদিন দুই লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল সীমিত তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু করেছে।
চীনের সরকারি নীতিনির্ধারক সংস্থা ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশন (এনডিআরসি) আজ বৃহস্পতিবার এক লিখিত আদেশে এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে।
দীর্ঘ ১৪ বছর পর আবারও আন্তর্জাতিক বাজারে তেল রপ্তানি শুরু করেছে সিরিয়া। সোমবার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় তারতুস বন্দর থেকে ৬ লাখ ব্যারেল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করা হয়।
চীনের পাল্টা শুল্কের কারণে ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি কমে যেতে পারে।
ইরান তার অপরিশোধিত তেলের নতুন ক্রেতা খুঁজে পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানি তেলের নতুন দুই ক্রেতা সম্ভবত বাংলাদেশ ও ওমান। সম্প্রতি ওমান ও বাংলাদেশ অভিমুখে যাওয়া ট্যাঙ্কারের গতিপথ অনুসরণ করে শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।