পবিত্র ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটিতেও ব্যাংক খোলা থাকবে। এই সময় নতুন সময়সূচিতে চলবে ব্যাংকের চেক ক্লিয়ারিং হাউজ।
- রপ্তানির সম্ভাবনাময় সবখাতে আরএমজির সমপর্যায়ের সুবিধা দেওয়া হবে : অর্থমন্ত্রী
- * * * *
- রপ্তানির সম্ভাবনাময় সবখাতে আরএমজির সমপর্যায়ের সুবিধা দেওয়া হবে : অর্থমন্ত্রী
- * * * *
- রপ্তানির সম্ভাবনাময় সবখাতে আরএমজির সমপর্যায়ের সুবিধা দেওয়া হবে : অর্থমন্ত্রী
- * * * *
- রপ্তানির সম্ভাবনাময় সবখাতে আরএমজির সমপর্যায়ের সুবিধা দেওয়া হবে : অর্থমন্ত্রী
- * * * *
- মাদক মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানের ৫ বছরের কারাদণ্ড
- * * * *
নতুন সময়সূচি
পবিত্র রমজান মাসে অফিস সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আজ প্রথম রমজান থেকে ঈদুল ফিতরের আগের দিন পর্যন্ত সাপ্তাহিক কর্মদিবসে বিশেষ সময়সূচিতে মেট্রোরেল চলাচল করবে।
রমজান মাসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসিতে লেনদেন হবে নতুন সময়সূচিতে।
আসন্ন রমজান মাসে ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
যাত্রা শুরুর পর থেকে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রাজধানীবাসীর মন জয় করে নিয়েছে মেট্রোরেল। চাহিদার কথা বিবেচনায় নিয়ে জনপ্রিয় এ গণপরিবহনটি চলাচলের সময় আরও এক ঘণ্টা বাড়িয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অবকাশকালীন সময় শুরু হচ্ছে রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) থেকে। এ উপলক্ষে অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
মুসলমানদের সিয়াম সাধনার মাস রমজান রোববার (২ মার্চ) থেকে শুরু হলো। রমজান মাসে সরকারি অফিসের সূচিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও রমজান মাসে সরকারি অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। আর ব্যাংক লেনদেন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত।
পবিত্র রমজান মাসে সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। এর মধ্যে দুপুর সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ১৫ মিনিট জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে।
সুপ্রিম কোর্টে আগামী রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত অবকাশ থাকবে। প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশকালে ৮ সেপ্টেম্বর হতে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত আপিল বিভাগের অফিসের সময়সূচি রবিবার হতে বৃহস্পতিবার (সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটি ব্যতীত) নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
কোটা আন্দোলনে ব্যাপক সহিংসতার ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে স্থবির হয়ে যায় গোটা দেশ। সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে কারফিউ জারির মাধ্যমে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে সরকার।