ভারি বর্ষণ ও অতিবৃষ্টির কারণে উজান থেকে আসা ঢলে দেশের উত্তর-পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলের ৫ জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
নদ-নদীর পানি
কুড়িগ্রামে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্রসহ সবগুলো নদনদীর পানি আবারো দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।
ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আশা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারে অবস্থিত মনু, ধলাই ও কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ফের বন্যার শংঙ্কা দেখা দিয়েছে জেলা জুড়ে।
উজানের ঢলের পানিতে কুড়িগ্রামের সবকয়টি নদ-নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি অনেকটা বেড়ে এখন বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। এতে নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকতে পারে।রোববার (২৩ জুন) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।
ভারী বর্ষণ আর উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা, ধরলা, সানিয়াজান নদীর পানি বেড়েছে। এতে লালমনিরহাটের নদী তীরবর্তী এলাকা এবং চরাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকায় পানি প্রবেশ করে ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট ডুবে বন্যা সৃষ্টি হয়েছে।
কুড়িগ্রামে গত কয়েকদিন ধরে সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলসমূহ পানিতে তলিয়ে গেছে।
অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। ফলে নদ-নদী তীরবর্তী মানুষজন এখন বন্যা আতঙ্কে রয়েছেন।
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে তিস্তা নদীর পানি কমে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদ-নদীর পানি বাড়লেও এখনও তা বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হচ্ছে।
কুড়িগ্রামে দুইদিন ধরে ফের বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তা, দুধকুমারসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নদ-নদী তীরবর্তী মানুষ বিশেষ করে আমন খেতের কৃষকরা আতঙ্কে পড়েছেন। ভারী বর্ষণের ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।