দেশের ১০৯টি পর্যবেক্ষণাধীন পানি সমতল স্টেশনের মধ্যে ৭৪টি স্টেশনে পানি কমেছে। অন্যদিকে, বেড়েছে ৩০টি নদীর পানি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টি স্টেশনের পানি।
নদ-নদীর পানি
বরিশাল বিভাগের সব নদীর পানি কমেছে। রবিবার সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তবে কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করে প্রবাহিত হয়েছে।
বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার তজুমুদ্দিন পয়েন্টে সুমরা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার (২.২২ মিটার) ৩৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। রোবাবার শুধু দুধকুমার নদের পানি বাদে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ সবক'টি নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাড়ছে নদ-নদীর পানি। ফলে সারাদেশে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সঙ্গে তীব্র হচ্ছে নদী ভাঙন। ইতিমধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চেলর জেলা নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জে বন্যা দেখা দিয়েছে।
কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে কুড়িগ্রামের সব নদ–নদীর পানি পানি। দুইদিন থেকে দুধকুমার ও ধরলা নদীর পানি বইছে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে।
উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধায় সবগুলো নদ-নদীর পানি বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখঘাট পয়েন্টে ৩০ সেন্টিমিটার,
অবিরাম বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে সবগুলো নদ-নদীর পানি আবারো বাড়তে শুরু করেছে। গত দুদিন ধরে নদীর পানি বাড়লেও এখনও দুধকুমার নদ ছাড়া সবগুলো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে নিম্নাঞ্চলসমূহ প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার উব্দাখালী, মহাদেও, বৈঠাখালী ও মঙ্গলেশ্বরীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এতে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সুনামগঞ্জে এক রাতের ভারী বর্ষণে জেলা শহরে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে অনেকগুলো ব্যস্ততম সড়ক। পানি ঢুকেছে কোনো কোনো বাসাবাড়িতেও। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন শহরের মানুষ। এদিকে, ভারি বৃষ্টিপাত আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে নদ-নদীর পানি।