পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানিকে কেন্দ্র করে মুসলমানদের মধ্যে নানা মাসয়ালা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো- কোরবানির উদ্দেশ্যে পশু কেনার পর সেটি কোরবানি না করলে বা অন্য পশু দ্বারা পরিবর্তন করলে শরিয়তের বিধান কী? হানাফি মাজহাব অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রে ধনী ও গরিব ব্যক্তির বিধান সম্পূর্ণ আলাদা।
পশু
কোরবানির ঈদের আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। শেষ দিনে হাটে ক্রেতাদের ভিড় আর চড়া দাম আশা করলেও, রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে ক্রেতার সংকট দেখা গেছে।
লোকসানে অনেকে সস্তায় বিক্রি করে দিচ্ছেন কোরবানির পশু।
স্বজন হারানোর বেদনা কখনো মুছে যাওয়ার নয়, তবে ঈদের আনন্দ যখন দ্বারে কড়া নাড়ছে, তখন সেই শোকাতুর পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
কোরবানির পশু কেনার পর অনেকেই সেটিকে সুন্দর ও পরিষ্কার রাখার জন্য লোম ছাঁটেন কিংবা শরীরের বিভিন্ন অংশ পরিচর্যা করেন। তবে কোরবানির জন্য নির্ধারিত পশুর সৌন্দর্য ও পূর্ণতা নষ্ট হয়—এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
মহানবী (সা.) ও সাহাবিরা নিজ হাতে কোরবানি করতেন। আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে তার কোরবানির পশুর ওপর পা দিয়ে চেপে ধরে নিজ হাতে কোরবানি করতে দেখেছি।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩১৫৫)
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে পিরোজপুরের পশুর হাটগুলো।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঢাকার কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন পশুর হাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০)। ছিনতাই, জাল টাকা লেনদেন, চাঁদাবাজি ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা ঠেকাতে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিসহ অতিরিক্ত র্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে যথা নিয়মে পশু জবাই ও কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জামালপুরের ইসলামপুর বাজার স্টেশন থেকে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে প্রথম ‘ক্যাটল স্পেশাল’ বা কোরবানির পশু পরিবাহী বিশেষ ট্রেন।
কোরবানি এমন ইবাদত, যাতে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয় ও সর্বোত্তম সম্পদ উৎসর্গ করা হয়। কোরবানিদাতার চেষ্টা থাকে সবচেয়ে সুন্দর ও হৃষ্টপুষ্ট পশুটি আল্লাহর নামে উৎসর্গ করার; স্বয়ং নবী করিম (স.)-এর সুন্নাহও ছিল তেমন।