কোরবানির পশু বা অন্য কোনো পশু জবাইয়ের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে গর্দান আলাদা করে ফেলা মাকরুহে তাহরীমী। অনিচ্ছাকৃত হলে কোন সমস্যা নেই। এমন পশু খাওয়া খাবে। এমন মুরগি, গরু বা যেকোনো হালাল প্রাণী খেলে কোনো গুনাহ হবে না এবং তা হারামও হবে না।
পশু
পাবনার সাঁথিয়ায় একটি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা (নিলাম) কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে
আর কয়েক দিন পরেই মুসলিমদের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর হাটে বেচাকেনা শুরু হয়েছে।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। জেলার প্রায় ১৫ হাজার খামারে চলছে কোরবানির পশু হৃষ্টপুষ্টকরণের কাজ।
ঢাকার কেরানীগঞ্জে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ৯টি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারার দরপত্র আহবান করা হয়। এদের মধ্যে ৫টি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা সম্পন্ন হয়েছে।
আল্লাহর জন্য পশু উৎসর্গ দেওয়াকে কোরবানি বলে। কোরবানি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ ইবাদত। আল্লাহর রাসুল (সা.) কোরবানি করতে উৎসাহ দিয়েছেন। যারা সামর্থ্যবান তাদের জন্য ওয়াজিব। আর যারা করবেনা, তাদের রাসুল (সা.) ভর্ৎসনা করেছেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, আসন্ন কুরবানির ঈদে দেশের চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত গরু মজুত রয়েছে।
কোরবানির পশু জবাইয়ের আগমুহূর্তে অনেক সময় দেখা যায় চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে। এই দৃশ্যটি দেখে সাধারণ মানুষের মনে নানা কৌতূহল ও আধ্যাত্মিক প্রশ্নের জন্ম দেয়। অনেকে মনে করেন, পশু তার আসন্ন মৃত্যু দেখতে পেয়ে কাঁদছে; কেউবা একে অলৌকিক কোনো ঘটনার ইঙ্গিত মনে করেন।
কোরবানি ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি নিছক পশু জবাইয়ের নাম নয়; বরং আল্লাহর প্রতি আনুগত্য, ত্যাগ, তাকওয়া ও আত্মসমর্পণের প্রতীক।