নোয়াখালীর কবিরহাট, সুবর্ণচর ও হাতিয়া উপজেলায় একদিনে পানিতে ডুবে দুই সহোদর ভাইসহ পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ৭২ ঘণ্টায় আট শিশু পানিতে ডুবে মৃত্যু বরণ করেছে।
পানি
বিপৎসীমার দশমিক ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি। তিস্তা নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। বুধবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৮ সেন্টিমিটার।
নেত্রকোণার পূর্বধলায় পৃথক পৃথক স্থানে পুকুরের পানিতে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ জুলাই) উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নে দুই ভাই-বোন এবং আগিয়া ইউনিয়নে এক শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়।
নীলফামারী জেলায় তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি ওঠানামা করছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার পাঁচ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।
বৃষ্টি আর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জে সবকটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ছাতক, সুনামগঞ্জ ও দিরাই ৩ উপজেলায় সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে।
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩ জুলাই) বিকেলে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের পীরখাইন গ্রামের আহসান উল্লাহর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলার চরজব্বার ও চরজুবলী ইউনিয়নে এ দুই শিশুর মৃত্যু হয়।
পাহাড়ি ঢল আর ভারী বর্ষণের কারণে সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। জেলার সুরমা, যাদুকাটা, রক্তি, পাটলাই, খাসিয়ামারা, চলতি, বৌলাই, নলজুরসহ সবকটি নদীর পানি ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। এরই মধ্যে সব উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে
উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি আবারও বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। তিস্তার পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার উব্দাখালী, মহাদেও, বৈঠাখালী ও মঙ্গলেশ্বরীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এতে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।