কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার উব্দাখালী, মহাদেও, বৈঠাখালী ও মঙ্গলেশ্বরীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এতে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পানি
সুনামগঞ্জে এক রাতের ভারী বর্ষণে জেলা শহরে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে অনেকগুলো ব্যস্ততম সড়ক। পানি ঢুকেছে কোনো কোনো বাসাবাড়িতেও। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন শহরের মানুষ। এদিকে, ভারি বৃষ্টিপাত আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে নদ-নদীর পানি।
উপজেলা আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শহীদুল্লাহ বলেন, হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নানা বাড়ি বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে মাধবখালী ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নে বাড়ির পাশে ডোবার পানিতে ডুবে আপন দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও এক বোন।
বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি নদ-নদীর পানি এখন বিপৎসীমার খুব কাছাকাছি। উজানের ঢলে উত্তরের বেশ কয়েকটি নদীর পানি গত কয়েক দিনের মধ্যেই অনেকটা বেড়েছে। নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে জামালপুরে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতোমধ্যে ইসলামপুর, মেলান্দহ, দেওয়ানগঞ্জ, সরিষাবাড়ি ও মাদারগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাটেশ্বরীর সোনাহাট রেলসেতু পয়েন্টে দুধকুমার নদের পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। এছাড়াও জেলার ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
নরসিংদীর রায়পুরায় পৃথক স্থানে পানিতে ডুবে মুস্তাকিম (৩) ও আহাদ মিয়া (৯) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত মুস্তাকিম (৩) চরসুবুদ্ধি ইউনিয়নের বাটখোলা এলাকার সৌদি প্রবাসি কবির মিয়ার ছেলে ও আহাদ মিয়া (৯) একই ইউনিয়নের মোদাফত পাড়ার খোরশেদ মিয়ার ছেলে।