মহাকাশে আট দিনের ঐতিহাসিক অভিযান শেষে পৃথিবীতে অবতরণ করলেন সৌদিআরবের প্রথম নারী নভোচারী রায়ানা বারনাউই ও তার তিন সহচারী। স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ৭ টায় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাতে চার নভোচারীকে বহনকারী ক্যাপসুলটি প্যারাসুটের সহায়তায় নিরাপদে অবতরণ করে ফেরেন তারা।
- “যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ‘গেম চেঞ্জার’ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে”
- * * * *
- জি-৭ সম্মেলনে ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র দেওয়ার অঙ্গীকার
- * * * *
- শ্রীলঙ্কায় সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসের ছেলে গ্রেফতার
- * * * *
- ২৭০ কোটি ডলারে বিক্রি হচ্ছে ‘পিৎজা হাট’
- * * * *
- যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে সড়কে আছড়ে পড়ল বিমান, একজন নিহত
- * * * *
পৃথিবী
মঙ্গলগ্রহের প্রতি মানুষের বিশেষ টান রয়েছে। পৃথিবী ছাড়া সৌরজগতে মানুষের বসবাসের যোগ্য একমাত্র এই গ্রহ সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য সংগ্রহ করে বিজ্ঞানীরা কোনো একসময়ে সেখানে বসতি স্থাপনের স্বপ্ন দেখছেন।
১৯৭০ সালের ২২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শহরগুলোতে রাস্তায় নেমে এসেছিল প্রায় দু'কোটি মানুষ। তারা মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে পরিবেশের যে ক্ষতি হচ্ছে, তার প্রতিবাদ করেছিল। এটিকে স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানাতেই জাতিসঙ্ঘ দিনটিকে ধরিত্রী দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
রোজার বড় একটি আনুষ্ঠানিকতা হচ্ছে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত না খেয়ে থাকা। যদিও না খেয়ে থাকা বা উপবাস করা আর সিয়াম সাধনা এক জিনিস নয়, তারপরও এই না খেয়ে থাকার মাঝেও রয়েছে অনেক বড় হেকমত।
পৃথিবীর দিকে হাঁ করে রয়েছে একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল। পৃথিবীর দিকে মুখ করে থাকা এ কৃষ্ণগহ্বর নাকি শক্তিশালী বিকিরণও পাঠাচ্ছে আমাদের গ্রহের দিকে।
পৃথিবীর উপরে কী কী রয়েছে, তা আমরা দেখতে পাই। কিন্তু ভূভাগের তলায় পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত রয়েছে যে বিরাট জগত, তার কতটুকুই বা আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন! কিন্তু হালের এক নতুন তথ্য টমকে দিয়েছে সবাইকে।
মহাজগতে নানা খেলা চলে। গ্রহদের কাছে আসা-দূরে যাওয়া; অন্য জায়গা থেকে কোনও গ্রহাণুর ছুটে আসা, সৌরঝড় ইত্যাদি ইত্যাদি। গ্রহণ বা এ জাতীয় ব্যাপার তো থাকেই।
রসগোল্লা খেয়ে ফেলার পর রস মাখা প্লেট ঘণ্টাখানেক ফেলে রাখলেই থিকথিক করে ছেয়ে ফেলে পিঁপড়েরা। ওই পিঁপড়াই গুণতে গেলে হিমসিম খেতে হবে। এবার কিন্তু গোটা পৃথিবীর ‘পিপীলিকা-সুমারি’ করে ফেলার ‘অসাধ্য’ সাধন করে ফেলেছেন এক দল গবেষক। পৃথিবীতে যত পিঁপড়া রয়েছে, বিশেষ পদ্ধতিতে তার সংখ্যা গুণে ফেলেছেন ওই জীববিজ্ঞানীরা। সংখ্যাটি হল ২০০০০০০০০০০০০০০০০। গুণে ফেলা সহজ কথা নয়।
পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হবে আজ। এটি বছরের দ্বিতীয় এবং শেষ সূর্যগ্রহণ। এই বছর আগের সূর্যগ্রহণটি ছিল ১০ জুন। যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে চলে যায় এবং সূর্যকে আড়াল করে তখন সূর্যগ্রহণ ঘটে। বিশ্বের কিছু জায়গা থেকেই এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।
কোভিডের কারণে বিশ্বের অধিকাংশ শহর লকডাউনের আওতায় থাকার পরও জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো ২০২০ সালে রেকর্ড স্তরে পৌঁছেছে। জাতিসংঘের আবহাওয়া সংক্রান্ত সংস্থা (ডব্লিউএমও) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।