তৈরি পোশাক রপ্তানির আড়ালে বাংলাদেশ থেকে ৮২১ কোটি টাকার বেশি অর্থ বিদেশে পাচারের ঘটনা শনাক্তের পর বাংলাদেশের শুল্ক গোয়েন্দারা বলছেন, এটি পুরো ঘটনার ছোট একটি অংশ মাত্র। পাচারের আসল চিত্র আরও অনেক বড়।
পোশাক রপ্তানি
তৈরিপোশাক রপ্তানির পরিমাণে প্রথমবারের মতো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে চীনকে পেছনে ফেলে শীর্ষে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। তবে রপ্তানি হওয়া পোশাকের পরিমাণে এগিয়ে গেলেও অর্থের হিসাবে এখনো চীনের পেছনে রয়েছে দেশ। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য দিয়ে তৈরিপোশাক শিল্প মালিক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) জানিয়েছে এ তথ্য।
বিশ্বের অন্যতম পোশাক আমদানিকারক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। গত ৫ বছরে (২০১৭-২০২২) বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি ১৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, অপরদিকে বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে তাদের বার্ষিক আমদানি বেড়েছে ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ।
আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) তৈরি পোশাক রপ্তানি ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
মোট পোশাক রপ্তানির মধ্যে, ইউএসডির ২১.২২ বিলিয়ন মূল্যের পোশাক (মোট রপ্তানির ৪৯.৭৮%) ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে গেছে।
পোশাক শিল্প কারখানার মালিকরা আগামী ২০৩০ সালে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সে লক্ষ্যে তারা পণ্য বৈচিত্র্যকরণ ও অপ্রচলিত বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণের কাজ করছে।
বাংলাদেশের পোশাক খাতের মালিকদের দুটি সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ ২১শে মে যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক পোশাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান এডিনবার্গ উলেন মিল ইডব্লিউএম এবং এর অধীন পিকক, জ্যাগার, বনমারশে, জেন নরম্যান, অস্টিন রিডসহ কয়েকটি ব্র্যান্ডকে একটি চিঠি দেয়।