নামাজ মুসলিম জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতগুলোর একটি। এই ইবাদতের প্রতিটি অংশে রয়েছে গভীর অর্থ, আত্মিক সম্পর্ক এবং আল্লাহর প্রতি সর্বোচ্চ আনুগত্যের প্রকাশ। সেই নামাজের মধ্যেই রয়েছে এক বিশেষ অংশ— আত্তাহিয়াতু ।
ফজিলত
মুসলিমদের কাছে জুমার দিন পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে এই দিনটিকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। এ বিষয়ে রাসুল (সা.) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ এ দিনটিকে মুসলমানদের জন্য ঈদের দিনরূপে নির্ধারণ করেছেন।
জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ইয়াওমে আরাফা বা আরাফার দিন। হাদিসের ভাষ্যমতে এই দিনটি আল্লাহর নিকট শ্রেষ্ঠ দিন।
আরাফাত দিবসে মহান আল্লাহ তাঁর ক্ষমা, রহমত ও দয়া উপস্থাপন করেন। আরাফা আরবি শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে চেনা, জানা। দীর্ঘদিন বিচ্ছেদের পর হজরত আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.) পরস্পরের দেখা হয়- আরাফাতের দিন।
মানুষের উপকার করা মহান ইবাদত। এটি মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। দরিদ্র, অসহায়, অসুস্থ ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা ও সেবা করা অনেক বড় সওয়াবের কাজ।
পবিত্র রমজান মাসের পরের মাস শাওয়াল। ইসলামে এ মাসের বেশ গুরুত্ব রয়েছে। এ মাসে রয়েছে মুসলমানদের দুটি বড় উৎসবের একটি ঈদুল ফিতর।
রোজা আল্লাহর সর্বাধিক পছন্দনীয় আমল। এর প্রতিদান স্বয়ং তিনি নিজ হাতে দেবেন বলে হাদিসে কুদসিতে ঘোষণা করেছেন।
পবিত্র রমজানে ৩০ দিন রোজা রাখেন মুসলমানরা। রোজার দিনে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকেন তারা।
পবিত্র রমজান মাসে এশার নামাজের পর বিতিরের আগে যে সুন্নত নামাজ পড়া হয়, তা-ই তারাবির নামাজ। তারাবির নামাজ পবিত্র রমজানের অন্যতম শিয়ার বা প্রতীক। শুধু রমজানেই এই নামাজ পড়া হয়। এই নামাজের মর্যাদা ও মহত্ত্ব অনেক বেশি।
ওমরা বা ওমরাহ অর্থ জিয়ারত করা, পরিদর্শন করা ও সাক্ষাৎ করা। পবিত্র কাবাঘরের জিয়ারতই মূলত ওমরা। ইসলামের ভাষায় হজের সময় ছাড়া অন্য যেকোনো সময় পবিত্র কাবাঘরের তাওয়াফসহ নির্দিষ্ট কিছু কাজ করাকে ওমরা বলে।