সূরা আল- ওয়াক্বিয়া’র নামের অর্থ, নিশ্চিত ঘটনা। এটি পবিত্র কোরআন শরীফের ৫৬তম সূরা। এই সূরার আয়াত সংখ্যা ৯৬, রুকু আছে ৩টি।
ফজিলত
ইসলামে শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাতটি বিশেষ ফজিলতপূর্ণ রাত। রাসুল (সা.) বলেছেন, يطلع الله إلى خلقه في ليلة النصف من شعبان، فيغفر لجميع خلقه إلا لمشرك أو مشاحن.
কোরআন শরিফের প্রথম সুরা। ‘ফাতিহা’ শব্দের অর্থ ‘সূচনা’, ‘উদ্বোধন’ বা ‘প্রারম্ভিকা’। এ অর্থ থেকেই এ সুরার গুরুত্ব বোঝা যায়। নামাজে অন্য যেকোনো সুরা পড়ার আগে এটি পড়তে হয়। এর মানে নামাজ পড়তে সুরা ফাতিহা পাঠের মাধ্যমে অন্য সুরা বা আয়াতগুলো পড়তে হয়।
হিজরি বর্ষপঞ্জি হিসাবে পবিত্র রমজান মাসের আগের মাস শাবান। রমজান মাসের প্রস্তুতিকাল হিসেবে শাবান মাসের গুরুত্ব অপরিসীম।
বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি, দুশ্চিন্তা কিংবা কোনোকিছু চেয়ে বরাবরই মুমিনরা সৃষ্টিকর্তার দরবারে দু’হাত তুলে ধরেন।
পথহারাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেওয়া মহৎ একটি কাজ। ইসলামে এটি গুরুত্বহীন কোনো কাজ নয়। রাসুলুল্লাহ (স.) এই কাজকে সদকা বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন- وَإِرْشَادُكَ الرَّجُلَ فِي أَرْضِ الضَّلاَلِ لَكَ صَدَقَةٌ ‘পথ না চেনা ব্যক্তিকে পথ দেখিয়ে দেয়া তোমার জন্য একটি সদকা।’ (জামে তিরমিজি: ১৯৫৬)
রজব আরবি হিজরি সন অর্থাৎ চান্দ্রবর্ষের ৭ম মাস। রজব শব্দের অর্থ সম্মান করা। এটি নাম ও অর্থগতভাবেই প্রাচুর্যময় সম্মানিত মাস। এ মাসের মর্যাদা উপলব্দি করতে বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি হাদিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিটি নেক আমলই সদকা, আর তোমার কোনো ভাইয়ের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করা এবং কোনো ভাইয়ের পাত্রে নিজের বালতি থেকে পানি ঢেলে দেয়াও নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত।
ছোট এবং ফজিলতপূর্ণ একটি আমল তিন তাসবিহ। প্রতিদিন এই আমলটি করা যায়। এর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা গুনাহ মাফ করে দেন বলে হাদিসে বর্ণিত হয়েছ।
ইসলামি শরিয়তে মানুষের সঙ্গে হাসিমুখে দেখা করা, হাসিমুখে কথা বলা সাধারণ ভদ্রতা ও উত্তম আচরণের অন্তর্ভুক্ত। ইসলামে এটিকে নেক আমল গণ্য করা হয়েছে। জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রতিটি নেক আমলই সদকা আর তোমার কোনো ভাইয়ের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করা এবং কোনো ভাইয়ের পাত্রে নিজের বালতি থেকে পানি ঢেলে দেয়াও নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত। (সুনানে তিরমিজি: ১৯৭০)