ইস্তিগফার অর্থাৎ আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পবিত্র কোরআনে ইস্তিগফারের গুরুত্ব ও ফজিলত বারবার আলোচনা করা হয়েছে এবং বিভিন্ন আয়াতে এর মাধ্যমে আল্লাহর অসংখ্য রহমত, বরকত ও দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণের কথা বলা হয়েছে।
ফজিলত
জুমার দিন মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ দিন, যাকে ‘সপ্তাহের ঈদ’ বলা হয়। এই দিনের ইবাদত যেন সর্বোত্তমভাবে সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যে ইসলাম কিছু সুন্দর ও শিষ্টাচারভিত্তিক নির্দেশনা দিয়েছে।
অনেকের কাছে অজু মানে নামাজের আগে তাড়াহুড়ো করে হাত-মুখ ও মাথা ধুয়ে নেওয়া। অথচ অজু শুরু পরিচ্ছন্নতার মাধ্যম নয়, বরং দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতা অর্জনের মাধ্যম।
দাড়ি রাখা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত এবং পুরুষত্বের স্বকীয়তা। আল্লাহ তাআলা পুরুষকে দাড়ি দিয়ে নারী জাতি থেকে আলাদা করেছেন। এটি নবী-রাসুলগণের সুন্নত, মুমিনের অলংকার এবং প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ আল্লাহর দান।
ইসলামে পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব অপরিসীম। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবাকারী ও নিজেকে পবিত্র রাখে—এমন লোকদের ভালোবাসেন।’ (সুরা বাকারা: ২২২) নামাজের মতো মহান ইবাদতের প্রস্তুতিতে বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ উভয় পবিত্রতার গুরুত্ব রয়েছে।
হাদিসে লা ইলাহা ইল্লাহকে সর্বোত্তম জিকির বলা হয়েছে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন, রাসুল বলেছেন, লা ইলাহা ইল্লাহ সর্বোত্তম জিকির। (তিরমিজি, ইবনে মাজা)।
এই দুই সালাতই মূলত সকাল বেলায় আদায়যোগ্য, যা আল্লাহর সন্তুষ্টি, গুনাহ মোচন এবং বিশেষ সওয়াব অর্জনের মাধ্যম। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ নিজে এ দুই নামাজ নিয়মিত আদায় করতেন এবং সাহাবায়ে কেরামকেও উৎসাহিত করতেন।
আল্লাহ তাআলার বিশেষ বান্দারা ছাড়া কেউই গুনাহের ঊর্ধ্বে নয়। শয়তানের প্ররোচনায় যেকোনো বান্দা গুনাহ করে ফেলতে পারেন। শরিয়াহবিরোধী কাজে লিপ্ত হয়ে যখন কেউ আক্ষেপ ও আফসোসে ভোগেন
ইসলাম ধর্ম শুধু একটি বিশ্বাস নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। এই ধর্মে সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম।
মহানবী (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ শুধু একটি আমল নয়, এটি আল্লাহর দরবারে বরকতের দ্বার উন্মোচন ও দোয়া কবুলের অনন্য মাধ্যম। হৃদয়ের গভীর থেকে নবীর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ জীবনে শান্তি, করুণা ও মর্যাদা বয়ে আনে।