ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড় মোখা প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। শুক্রবার অতি প্রবল আকার ধারণ করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
- ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু
- * * * *
- দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
- * * * *
- প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর কূটনীতিতে নতুন মাইলফলক: মির্জা ফখরুল
- * * * *
- বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
- * * * *
- বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী
- * * * *
ফসল
সারাদেশে চলমান মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহের মধ্যে ফসল ও ফল রক্ষায় নির্দেশনা দিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর (ডিএই)।
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ, দিরাই উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থানে শিলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ি ও বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এ সময় আধাঘণ্টা ব্যাপী চলতে থাকা ঝড়ো বৃষ্টিতে প্রায় ৬ মিনিটের ওপরে ছোট ও মাঝারি আকারে শিলাবৃষ্টি হয়েছে।
ভারতে খোদ হিন্দুত্ববাদীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে গোহত্যার অভিযোগ ওঠেছে। স্থানীয় কৃষকরা ২৪টি গরুকে রেললাইনে ঠেলে দেয়।
কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, জমি হ্রাস, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ভবিষ্যতে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তাকে টেকসই করতে হলে জলবায়ুসহনশীল ও উচ্চ ফলনশীল ফসলের জাত ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি উদ্ভাবন করে কৃষকদের মাঝে তা দ্রুত ছড়িয়ে দিতে হবে।
পাবনা প্রতিনিধি: অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন-স্মারকলিপি পেশ করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।ফসলি জমি বাঁচাতে পদ্মা নদীর পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর পয়েন্টে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের বন্ধের দাবিতে এই মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেন তারা।
বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে কিছুটা বৃষ্টি হলেও দেশের বিরাট এলাকাজুড়ে কার্যত এখন খরা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আছে কৃষিখাতে। বছরের শুরু থকেই আবহাওয়ার আচরণকেই স্বাভাবিক মনে করছেন না আবহাওয়াবিদরা। এর ফলে হয় টানা বৃষ্টি কিংবা টানা খরা পরিস্থিতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দেশে জনসংখ্যা বাড়ছে ফলে আবাদি জমি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে,আকস্মিক বন্যা, ঠান্ডা জনিত ও ব্লাস্ট সংক্রামন জনিত এবং মানসম্পন্ন বীজের অভাবে ফসলের উৎপাদন কমে যায়,মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণে ফসলের উৎপাদন আরো বেশী করে বাড়াতে হবে।
শেরপুর জেলায় আগাম আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। এবার আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফসল ভরা মাঠ থেকে ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন এখানকার কৃষকেরা।
বন্যার পাািন এখন বিপদ সীমার নিচ দিয়ে প্রাহিত হচ্ছে। এবারের বন্যায় পানি নেমে যাবার সাথে কৃষকের ফসলী জমির ক্ষতচিহ্ন বেরিয়ে পড়েছে। রোপা আমন, বীজতলা, মাসকলাই, শাকসবজির ক্ষেতে বিনষ্ট হয়েছে